মুকেশ আম্বানির ড্রাইভারের বেতনের কাছে লজ্জা পাবে যে-কোনো বড় সংস্থার CEO এর বেতন, পরিমাণ শুনে চমকে যাবেন আপনিও

ভারত তো বটেই, গোটা বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি হলেন মুকেশ আম্বানি। তিনি আম্বানি পরিবারের অন্যতম একজন সদস্য। মুকেশ আম্বানি রিলায়েন্স গ্রুপ অব কোম্পানির হর্তাকর্তা। স্বাভাবিক ভাবে জীবন-যাপন যে বিলাসবহুল হবে তা বলাই বাহুল্য। যে বাড়িতে মুকেশ আম্বানি থাকেন তার নাম, অ্যান্টিলিয়া। এই বাড়ির মূল্য প্রায় ১৪ কোটি টাকা। এই প্রাসাদসম বাড়িতে রয়েছে সমস্ত রকম বিলাসবহুল ব্যবস্থা। বাড়ির সামনে রয়েছে একটি সেভেন স্টার হোটেল। স্বাভাবিক ভাবেই এই সুন্দর বাড়ি এবং হোটেলের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়োগ করা হয়ে থাকে অনেককে।

মুকেশ আম্বানির বাড়ি এবং হোটেলের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে প্রায় ৬০০ জন কর্মচারী। এই কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত নিজেকে নিয়োজিত করে রাখেন আম্বানি পরিবারের সেবার্থে।পাশাপাশি একটি সুন্দর অঙ্কের বেতন পান তাঁরা। তবে এই চাকরি পেতে গেলে তাদের দিতে হয় কিছু কঠিন পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে তবেই আম্বানি পরিবারের বাড়িতে প্রবেশ করতে পারা যায়।

প্রসঙ্গত, ২৭ তলা এই বাড়িটি প্রায় ৫৭০ ফুট উঁচু। এই বাড়িটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে এই বাড়িতে একটি আলাদা স্থানে বিশ্রাম করতে পারেন দেহরক্ষী নিরাপত্তা প্রহরী এবং অন্যান্য কর্মচারীরা। বাড়িটির ষষ্ঠ তলা পার্কিংয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে যেখানে প্রায় ১৭০ টি পার্কিং লট রয়েছে।মুকেশ আম্বানির বাড়িতে চাকরি পাওয়ার জন্য প্রার্থীদের একটি ফর্ম ফিলাপ করতে হয়। এই ফর্ম পূরণ করে তাঁদের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

লিখিত পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান এবং হোটেল ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত প্রশ্ন করা হয়। এই পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হন, তাদের পরবর্তী পর্যায়ে জন্য নির্বাচিত করা হয়। সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে অবশেষে চাকরিতে নিয়োগ করা হয় সেই সমস্ত ব্যক্তিদের। মুকেশ আম্বানির বাড়িতে প্রায় শতাধিক গাড়ি রয়েছে যাদের আলাদা আলাদা চালক দরকার হয়। আম্বানির গাড়ি চালক হওয়া কোন মজার কথা নয়।

বিভিন্ন কোম্পানি ড্রাইভারের জন্য চুক্তি দেওয়া হয়, অবশেষে একাধিক পরীক্ষার মাধ্যমে ড্রাইভার নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত ড্রাইভারের বেতন প্রতি মাসে ২ লক্ষ টাকা হয়। স্বাভাবিকভাবেই সেই ড্রাইভারের যে ভাগ্য খুলে যায় মুকেশ আম্বানির বাড়িতে চাকরি পাওয়ার পর তা বলাই বাহুল্য।