মমতার মাস্টার স্ট্রোকে চরম সংকটে বিজেপি, বদলে যেতে পারে ভোটের ছবি পর্যন্ত

২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে দুই মূল প্রতিপক্ষ  TMC  বনাম BJP। দুই দলই এই ভোটযুদ্ধ জেতার জন্য প্রস্তুত।  সাধারণ মানুষের  মন পাওয়ার জন্য দুই দলই নানাভাবে  তাঁদের অভাব অভিযোগ দূর করার চেষ্টা করছে, প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, সেটা খুব ভাল করে জানেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।একুশের নির্বাচনের আগে তাই মাস্টারস্ট্রোক দিলেন  মমতা , যা কিনা রীতিমতো গেম চেঞ্জার হয়ে যেতে পারে। আর সেটা বুঝতে পারছে গেরুয়া শিবিরও। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের এই দুই পদক্ষেপ রীতিমতো উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে গেরুয়া শিবিরেও।

দুয়ারে সরকার – এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ মেটানো হয়েছে৷ সেইসাথে  রাজ্যবাসী সরকারি কাজের সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া থেকে মুক্তি পেয়েছেন।সরকার তাদের  বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে চলে গেছে জনসাধারণের দুয়ারে। কোটি কোটি মানুষ এইসব প্রকল্পের সুবিধা নিয়েছেন ।দুয়ারে সরকারে প্রতিটি কার্যালয়ের সামনে সাধারণ মানুষ যেভাবে লাইন দিয়েছেন সেই জনসংখ্যা সহজেই যেকোনও বড়  রাজনৈতিক সমাবেশকে টেক্কা দেবে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এই কর্মসূচির সম্পূর্ন সুফল তৃণমূল কংগ্রেস পাবে ভোটব্যাঙ্ক এ৷

বিজেপি নেতাদের মুখেও বারেবারে শোনা যাচ্ছে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের নাম।কারণ  এই প্রকল্প  ঘুম উড়িয়েছে বিজেপি নেতাকর্মীদের। মানুষকে এই প্রকল্পে কোনও জনপ্রতিনিধির মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছেনা তাই দুর্নীতির প্রশ্ন নেই৷

 

বিনিয়োগ করুন এই সরকারি যোজনাতে, প্রত্যেক মাসে মিলবে 9250 টাকা করে পেনশন

স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের জন্য সব জায়গাতেই বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। ফলে তাদের মনে  শাসক দলের প্রতি আস্থা বাড়বে।  শাসক দল কোনও ব্যাক্তির অভাব অভিযোগ মিটিয়ে দিলে সেক্ষেত্রে ব্যাক্তির বিরোধী মানসিকতা বদলাতে  বাধ্য। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী নিজেও সাধারণ মানুষের মতনই লাইনে দাঁড়িয়ে সাস্থ্য সাথীর কার্ড করিয়েছে যা মানুষের মনে এই প্রকল্পের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে আস্থা এনে দিয়েছে৷

ভোট ব্যাংক স্বাভাবিক ভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ঝুঁকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই প্রকল্পগুলির সম্পর্কে সরাসরি কোনও বিরোধিতা করতে পারছেন না বিরোধীরা৷ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,অপপ্রচার করা হলেও  তাতে বিশেষ লাভ হবেনা।  উল্টে আরও ভারী হবে তৃণমূলের ভোট বাক্স।শেষপর্যন্ত নীলবাড়ি কার দখলে যায় সেদিকেই তাকিয়ে বাংলার মানুষ৷