টিকাকরণের সময় মানতে হবে এই সাতটি নিয়ম! তবেই সর্দি- কাশির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে করোনার তৃতীয় ঢেউ

করোনার কবলে পড়ে ভারতের অবস্থা একদম ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। প্রথম ধাক্কা সামলে গেলেও দ্বিতীয় ধাক্কায় ভারতবর্ষের পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে উঠেছিল। ভারতবর্ষে এখন করোনার সংক্রমণ কমছে, বাড়ছে সুস্থতার হার। কিন্তু বৈজ্ঞানিকরা আশঙ্কা করছেন দেশে আবার করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু হতে পারে। তৃতীয় ঢেউকে রোধ করার জন্য বিখ্যাত চিকিৎসক দেবি শেঠি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন সেগুলো নিয়েই আমরা এখন আলোচনা করব ‌-

 

১) দেবী শেঠি বলেছেন ভারতের টিকা উৎপাদন বাড়ানো এবং বিদেশের টিকার আমদানির ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “কেন্দ্রীয় সরকার ভারতীয় টিকা উৎপাদকদের কাছ থেকে ৭৫ শতাংশ টিকা কিনছে। কেন্দ্রের উচিত ১০০ শতাংশ টিকাই নিজেদের অর্থে কিনে নেওয়া এবং পরে বেসরকারি হাসপাতালগুলির কাছে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা। এতে রাজ্য সরকার ও বেসরকারি হাসপাতালগুলি টিকা সংগ্রহে কম সমস্যায় পড়বেন। একইসঙ্গে সরকারের উচিত দ্রুত বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন আনার ব্যবস্থা করা। কেবলমাত্র ভারতীয় দুটি ভ্যাকসিনের উপর নির্ভর করে টিকাকরণ প্রক্রিয়া চালানো সম্ভব নয়।”

২) রাজ্য সরকারের উচিত সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালগুলিতে বিনামূল্যে করোনার টিকা সরবরাহ করা।

৩) বহু সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে বহুদিন ধরে করোনার টিকা মজুত রাখা হয়। ওই হাসপাতালগুলির উচিত ১০ দিনের মধ্যে করোনা টিকার ব্যবহার করে ফেলা। তাহলে টিকাগুলি নষ্ট হবে না।

৪) কেন্দ্র সরকার আগে বলেছিল যে ডিসেম্বরের মধ্যে সমগ্র ভারতবাসীকে করোনা টিকা দেওয়া হবে। তাই ২৪ ঘন্টা করে করোনা টিকার কর্মসূচি যদি পালন করা হয় তবেই ডিসেম্বরের মধ্যে করোনা টিকা সমস্ত ভারতবাসীকে দেওয়া সমাপ্ত হবে।

পোস্ট অফিসে দুর্দান্ত স্কিম! মাত্র 95 টাকা দিয়ে এখন পেয়ে যাবেন 14 লক্ষ টাকা, কীভাবে পাবেন? বিস্তারিত জানতে

৫) রাজ্য সরকারগুলি যদি টিকার প্রতি ডোজ়ের জন্য ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে অনুদান প্রদান করে, তাহলে বহু বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে টিকাকরণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

৬) উচ্চবিত্ত মানুষরা যদি নিম্নবিত্ত মানুষের টিকার খরচ বাবদ কিছু অনুদান দেয় সে ক্ষেত্রে টিকাকরণ কর্মসূচি আরো সহজ হবে।

৭) সমস্ত অফিস কাছারি, গণপরিবহনগুলিতে করোনা টিকার সার্টিফিকেট যদি বাধ্যতামূলক করা হয় তাহলে যারা টিকাকরণের ইচ্ছুক নয় সেই সমস্ত ব্যক্তিও টিকা নেবেন।