Skip to content

দর্শকদের চোখে ফাঁকি দিয়ে একটি দুটি নয় একাধিক ভুলে ভরপুর পুষ্পা সিনেমা টি, দেখুন সেইসব ছবি

ইতিমধ্যেই এই করোনা পরিস্থিতিতেও যেখানে প্রায় ৫০ শতাংশ আসন নিয়ে সিনেমা হল খোলার অনুমতি রয়েছে, সেই বাজারেও এখনো পর্যন্ত পুষ্পা ৪০০ কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলেছে। বিগত এক মাস ধরে এই ছবির ট্রেন্ড চলছে, একবিন্দুও নিম্নমুখী নয় এই ট্রেন্ড। তবে এই ছবির মধ্যে রয়েছে কিছু ভুল ত্রুটিও, এবার আলোচনা করা যাক ছবির সেই ভুল ত্রুটি নিয়ে যেখানে প্রথমেই বলা যেতে পারে লাল চন্দন কাঠ জলে ভেসে যাওয়ার দৃশ্যটি। কারণ লাল চন্দন কাঠের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটুকরোও জলের মধ্যে পড়লে তা ডুবে যায়।

কিন্তু এই সিনেমায় পুলিশের নজর এড়াতে লাল চন্দন কাঠকে জলে ফেলে দেয়া হয় এবং তা ভাসতে দেখা যায়। যা অবিশ্বাস্য, আমরা প্রত্যেকেই জানি যে আন্তর্জাতিক বাজারে লাল চন্দন কাঠের চাহিদা কতটা তুঙ্গে, সেটাই তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়। তবে এটুকু বোঝা যায় যে এতে যে লাল চন্দন কাঠ ভাসছে দেখানো হয়েছে তা অবশ্যই ফাইবার নির্মিত ছিল, না হলে এটি সম্ভব নয়।

 

দ্বিতীয় ত্রুটিটি হল পুষ্পা একটি ট্রাককে উড়িয়ে তাঁকে গর্তের মধ্যে ফেলে দেয়। যেখানে রাস্তা কাঁচা হওয়া সত্ত্বেও মাটিপ ওপর টায়ারের কোন দাগ দেখা যায় নি। এমনকি রাস্তার পাশে যে গর্তের মধ্যে ট্রাকটি ছিল তা পুলিশের নজরেও পড়ল। এটা কিভাবে সম্ভব? তৃতীয়তঃ চলন্ত ট্রাকের ওপর দিয়ে হাঁটতে হয় দেখা যায় পুষ্পাকে। সেই ট্রাকের চালক ছিলনা, ট্রাকটি ড্রাইভারহীনভাবে কীভাবে চলতে পারে? তা কারোরই জানা নেই।

 

আবার অপরদিকে পুষ্পার বন্ধু কেশব যে সামান্য গাড়ির দরজা খুলতে জানেনা, তাঁকেই দেখা যায় গাড়ি চালাতে। অবাক করা দৃশ্য এগুলি, অপরদিকে একটি অ্যাকশন সিকোয়েন্স দেখা যায় যেখানে পুষ্পা শ্রীনুর শ্যালক মোগলিসকে জলে ফেলে দেয়। তাঁকে সেখানে মেরে ফেলে। তারপর হঠাৎই দেখা যায় পুষ্পা জলের মধ্যে মোটরবাইক চালাতে শুরু করে, যেখানে জলের মধ্যে রয়েছে বড় বড় পাথর।

 

সেটিও কিভাবে সম্ভব হলো, তাও দর্শকের মনে প্রশ্ন জেগেছে। অর্থাৎ দর্শকরা পুষ্পার উচ্ছ্বাসে এতটাই উচ্ছ্বসিত যে এই ত্রুটি গুলি চট করে মানুষের নজরে পড়েনি, কারণ পুষ্পা আট থেকে আশি প্রত্যেকের কাছেই এখন হিরো নাম্বার ওয়ান, তাঁর স্টাইলে মজেছে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই।