আপনার হেঁশেলের এই চারটি খাবার বাড়ায় হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা, তাই যতটা পরিমাণে পারবেন এই খাবারগুলি থেকে দূরে থাকবেন

বর্তমানকালে মানুষের দৈনিক জীবনযাত্রার ধরন প্রভাব ফেলে মানুষের স্বাস্থ্যের উপর। জীবনযাত্রার মান খারপ হলে উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল, অনিয়মিত হার্টবিটের সমস্যা দাখা দিতে পারে। এগুলি হার্ট রোগীদের জন্য সাধারণ উপসর্গ হিসাবে ধারা হয়। চিকিৎসকরা সর্বদা স্বাস্থ্যের প্রতি স্পেশাল কেয়ার নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সুষম খাদ্য ও সঠিক ডায়েটই একমাত্র একটি জীবনকে সুন্দর ও সুস্থ গড়ে তুলতে পারে। আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যা তালিকায় রেয়েছে এমন কিছু খাবার যা হার্টের জন্য বিপজ্জনজক। কিন্তু সেগুলিকেই আমরা প্রতিদিন রান্না করে কিংবা অন্যান্যভাবে খেয়ে থাকি। আজকে আমরা সেই খাবার গুলো নিয়ে কিছু আলচনা করবো।

ময়দা-

ময়দা আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল জমা করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল একপ্রকার ফ্যাট, যা আমাদের শরীরে রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে হার্টেরও সমস্যা তৈরি করে। নিয়মিত ময়দার তৈরি জিনিস খেলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাকে বারিয়ে দেয়।

প্রকাশিত বিশ্বের শক্তিশালী দেশের তালিকা, ভারতের স্থান দেখে ভয়ে কাঁপবে পাকিস্তান

ডিমের হলুদ অংশ-

হৃদরোগীর ডায়েট চাটে ডাক্তার ডিমকে রাখবেনেই। কিন্তু দিমের হলুদ কুসুম শরীরের ক্ষতি করে। দিমের কুসুম শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাট-তৈরি করে। তাই ডিমের কুসুমকে এড়িয়ে চলাই ভাল। তবে শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমা হবে ভেবে ডিম খাওয়া বন্ধ না করাই ভালো।কারণ ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও এ রয়েছে।,হৃদরোগীদের জন্য আটি ভিসন উপকারীও খাদ্য। তাই দিম একেবারে না বন্ধ করে কম পরিমাণে খান।

নুন-

খাবারের স্বাদ আনার জন্য নুন প্রয়োজনীয়তা খুবই বেশি। প্রতিদিন নুন খাওয়ার ফলে শরীরে বিষ প্রবেশ করাচ্ছে । হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে নুন কম খাওয়া্রপরামর্শদেন ডাক্তাররা। অতিরিক্ত পরিমাণে নুন খেলে হার্টের পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্য়ঙ্গগুলি সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশি পরিমাণে নুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। তার ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

মিষ্টি-

আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যাদের কাছে মিষ্টি ভিষণ প্রিয়। যদি মিষ্টির প্রতি লোভই মানুষকে খুব বিপদের মধ্যে নিয়ে যায়। শরীরের প্রতি খেয়াল রেখেই মিষ্টি থেকে দূরে থাকুন। বেশি মিষ্টিৃজাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসের প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়। যাদের হার্টের আসুখ আছে তারা মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন।