বারবার আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও দ্য কপিল শর্মা শো এর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন এই ৫ জন সেলিব্রেটি

কাপিল শর্মা শো, এমন একটি অনুষ্ঠান যেখানে আসতে চান প্রত্যেক অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে ক্রীড়াবিদ সকলেই। এটি এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা নিজেদের আগত সিনেমার প্রমোশন করতে পারেন খুব সহজেই। শাহরুখ খান থেকে শুরু করে সালমান খান, অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে যুবরাজ সিং, এই শোতে এসেছেন সকলেই। যেমন কিছু কিছু মানুষ রয়েছেন যারা কখনো এই অনুষ্ঠানে আসেননি।

আমরা প্রথমে কথা বলব রজনীকান্তের। এই সুপারস্টার আজ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানে আসেননি, রজনীকান্ত মনে করেন এই অনুষ্ঠানে অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে ভীষণভাবে নিম্নস্তরের ইয়ার্কি করা হয়, তাই তিনি একেবারেই পছন্দ করেন না এই অনুষ্ঠানে যোগদান দিতে।

লতা মঙ্গেশকর কখনো এই অনুষ্ঠানে আসেননি। তিনি কিছুটা দূরে থাকেন হাসি-ঠাট্টা থেকে তাই তিনি খুব একটা পছন্দ করেননা এমন কোন অনুষ্ঠানে আসেন না, যেখানে মজা করা হয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে।

মহেন্দ্র সিং ধোনি: ক্রীড়া জগতের একটি অন্যতম উজ্জ্বল নাম মহেন্দ্র সিং ধোনি। কাপিল শর্মার প্রডিউসারের বন্ধু ছিলেন ধোনির স্ত্রী সাক্ষী। কিন্তু কাপিল শর্মার সঙ্গে প্রোডিউসারের কিছু সমস্যা হওয়ার ফলে প্রডিউসার কে বাদ দিয়ে দেওয়া হয় অনুষ্ঠান থেকে। অন্যদিকে ওই প্রডিউসার সাক্ষীর বিশেষ বন্ধু। তাই চাইলেও অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারেন না ধোনি।

কপিল শর্মা নিজের ব্যক্তিগত জীবনে শচীন টেন্ডুলকারের অনেক বড় ভক্ত। বহুবার তিনি আপ্যায়ন করেছেন শচীন টেন্ডুলকারকে তার অনুষ্ঠানে আসার জন্য। কিন্তু সচিন তেন্দুলকার বারবার বলেছেন তিনি একেবারেই কাউকে হাসাতে পারেন না। তিনি অনুষ্ঠানে যোগদান করলে সকলেই খুব বোর হবেন। এই বলে তিনি অনুষ্ঠানে আসেন না ।

আমির খানের সঙ্গে কপিল শর্মার বহুদিনের যোগাযোগ। কপিল শর্মার অনুষ্ঠান যতদিন সম্প্রচারিত হচ্ছে ততদিনে আমির খানের বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু আমির খান কখনো কোন ছবি মুক্তির আগে এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেননি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোন পুরস্কার বিতরণী সভায় তিনি যেতে পছন্দ করেন না।

একদম শেষে আমরা কথা বলব আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কাপিল শর্মা বহুবার প্রধানমন্ত্রীকে অনুষ্ঠানে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন, যখন তিনি অবসর নেবেন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তখন তিনি আসবেন এই অনুষ্ঠানে।