Skip to content

বলিউডে ৪ জন প্রবীণ ধনী তারকা’র সম্পত্তি দেখে চমকে যাবেন আপনিও, তৃতীয় জনের সম্পত্তি তো চলবে প্রজন্ম ধরে

সব মানুষই পরিশ্রম করলে জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারেন না। এমনকি জনপ্রিয়তার শীর্ষেও পৌঁছাতে পারেন না।আজ তেমনই প্রবীণ অভিনেতাদের নিয়ে আলোচনা করব যারা একটা সময় নিজেদের ক্যারিয়ারে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে ছিলেন। আজও তাঁরা মানুষের হৃদয়ের বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। আসুন দেখা যাক সেই তারকারা কারা যারা শৈশব থেকে কঠোর সংগ্রাম করেছেন এবং আজ যার জন্য তাঁরা কঠোর পরিশ্রমের ফলাফল পাচ্ছেন। প্রথমেই বলা যেতে পারে কোকিল কন্ঠি গায়িকার লতা মঙ্গেসকারের নাম। যিনি ৮৯ বছর বয়সে গান গাইতে পারেন না তেমন ক্ষমতাও নেই, অথচ এক সময় তিনি তাঁর জীবনে ৩৫ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন।

তবে আজও তিনি মানুষের মনে এক বিশেষ স্থান অর্জন করেছেন। তিনি ভারতরত্ন, পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তিনি শুধুমাত্র হিন্দি নয়, মারাঠি কন্নড় তেলেগু ইংরেজি আরো বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন। তাঁর কণ্ঠের জাদু আজও মানুষের মনকে হিন্দোলিত করে। তাঁর একটি প্রতিবেদনে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ জানা যায় ৪০০ কোটি টাকা।

অপর ব্যক্তিটি হলেন অমিতাভ বচ্চন, যার অভিনয়ে মুগ্ধ আপামর মানুষ। সেই শুরুটাও ১৯৬৯ সালে,আর এখনো পর্যন্ত তিনি চলচ্চিত্রে কাজ করে চলেছেন। আজও তাঁর স্টাইল তাঁর প্রতিটা ভঙ্গি মানুষের মনে দাগ কাটে। অমিতাভ বচ্চনের সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২৭০০ কোটি টাকা। উপরদিকে আরো একজন ৫০শের দশকের অভিনেতা যার নাম ধর্মেন্দ্র।

তিনিও একজন দক্ষ অভিনেতা ছিলেন এবং তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। তিনি আজো মানুষের মনের একজন মানুষ, এরপরে যার নাম বলা যায় তিনি হলেন দিলীপ কুমার। যার ফ্যান অমিতাভ বচ্চন থেকে শাহরুখ খানও। ৯৬ বছর বয়সে তিনি আর ওঠা, কথা বলা, সমস্ত কিছু বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৬০০ কোটি টাকা।

তবে সর্বশেষ যার কথা না বললেই নয় তিনি হলেন শত্রুঘ্ন সিনহা,তাঁর মেয়ে সোনাক্ষী সিনহা বিরাজ করছেন বলিউডে। তবে তাঁর বাবা শত্রুঘ্ন সিনহার একটি জনপ্রিয় সংলাপ আজও মানুষের মুখে ফেরে, তা হল “আবে খামোশ” তার সম্পত্তির পরিমাণ ১২০ কোটি টাকা। যদিও আজ তিনি অভিনয় জগতে নেই, একসময় তাঁকে রাজনীতির ময়দানে দেখা গিয়েছিল, এগুলি থেকে বোঝাই যায় যে , পরিশ্রমের ফলাফল জীবনে নিশ্চয়ই পাওয়া যায়, সঠিকভাবে যদি পরিশ্রম করা যায়, একদিন না একদিন সাফল্য আসবেই।