ভারতের ৫ জন গ্ল্যামারের মহিলা রাজনীতিবিদ, যারা সৌন্দর্যের জেরে লুটেছে দেশের মানুষের ভালোবাসা

অভিনেত্রীদের সৌন্দর্য নিয়ে আলাদা করে কথা বলার কিছু নেই। রূপে গুণে, সর্বদিক দিয়ে অনন্যা তাঁরা। কিন্তু বিশ্বে এমন অনেক মহিলা রয়েছেন যারা, সুন্দরী অভিনেত্রী সবার পাশাপাশি অন্য ক্ষেত্রেও সমানভাবে পারদর্শী। আমরা আজকে এমন কিছু মহিলার কথা বলব যারা, পর্দায় সকলের মনোরঞ্জন করার পাশাপাশি একাধারে নেতা হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন সাধারণ মানুষের।

নুসরাত জাহান: সবার আগে কথা বলবো নুসরাত জাহানের। ১৯৯০ সালে ৮ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে বসিরহাট থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন তিনি। ২০১১ সালে শত্রু সিনেমার মাধ্যমে অভিনয় জগতে প্রবেশ করেছিলেন তিনি।

দিব্যা স্পন্দনা: ১৯৮২ সালে ২৯ শে নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ব্যাঙ্গালোরে। এই অভিনেত্রীকে দেখতে খুবই সুন্দরী। চলচ্চিত্র জগতে এই অভিনেত্রী রম্যা নামে পরিচিত। তিনি দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একজন বিখ্যাত অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি তামিল এবং তেলেগু ভাষার চলচ্চিত্রে কাজ করছেন।


অলকা লাম্বা: মাত্র ১৯ বছর বয়সে কংগ্রেসের ছাত্র ইউনিয়ন NSUI- তে যোগদান করেন। তিনি এনজিও”গো ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন”-এর প্রতিষ্ঠাতা।এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়ন করতে শেখানো হয়।

আঙ্গুর লতা ডেকা: ইনি একজন নামিদামী পরিচালক হওয়ার পাশাপাশি ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম সুন্দরী রাজনীতিবিদ। মূলত বাংলা এবং অসমীয়া চলচ্চিত্রে কাজ করেন তিনি। ২০১৬ সালে আসামের একটি কেন্দ্র থেকে বিজেপির বিধায়ক হয়েছিলেন।

ডিম্পল যাদব: ডিম্পল যাদবের নাম রাজনীতি দুনিয়ায় অনন্য। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের স্ত্রীকে কে না চেনেন। তিনি খুব ভদ্র এবং সুন্দর রাজনীতিবিদ। সব সময় তাঁকে দেখা যায় শাড়িতে। কনৌজ থেকে দুবার সমাজবাদী পার্টির সংসদ হয়েছিলেন তিনি।

গুল পানাগ: একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পাশাপাশি তিনি একজন রাজনীতিবিদ। ১৪ বছর বয়সে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। চন্ডিগড় থেকে ২০১৪ সালে নির্বাচনের আম আদমি পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে ধুপ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্ম প্রকাশ করেছিলেন তিনি।