মিলবে আরও একাধিক সুবিধা, এবার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প নিয়ে চিন্তা কমলো বঙ্গীয় পড়ুয়াদের

এই বছর ২০২১ এ দুর্গাপুজোর শুরু হওয়ার আগেই বঙ্গীয় পড়ুয়াদের কথা ভেবে তাদের স্বার্থে আরও একটি সুখবর জানালো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তর। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নামের এক স্কিম শুরু করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এই বছর ২০২১ এর ভোট এর আগে, তিনি রাজ্যের পড়ুয়াদের কথা ভেবে বানানো এই প্রকল্প যেখানে দেওয়া হবে ১০ লক্ষ পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য খুবই কম পরিমাণ ইন্টারেস্ট এ, যাতে কোনো পড়ুয়া টাকার অভাবের কারণে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত না হয়।

সেই বিষয়েই আরও এক রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাঙ্কের সঙ্গে চুক্তি হল পশ্চিম বঙ্গ সরকারের। শোনা যাচ্ছে, ইউকো ব্যাংক এর সাথে তাদের এই চুক্তির কারণে এবার আবার খুবই দ্রুত গতিতে পড়ুয়াদের আর্থিক লোন দেওয়ার কাজ শুরু হবে। যে কারনে দুর্গা পুজো শুরুর হওয়ার আগেই ইউকো ব্যাংক এর সাথে চুক্তি করার পর, আবার পুজোর পরে আরও একটি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক এর সাথে চুক্তি করার চিন্তাভাবনা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের।

যেই কারণে, দুটি বেসরকারি ব্যাংক ও দুটি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক এর সাহায্যে রাজ্যের প্রচুর পরিমাণ পড়ুয়াকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড এর সাহায্যে উচ্চ শিক্ষা পাওয়ার জন্য আর্থিক লোন দেওয়া সম্ভব হবে। প্রথম স্তরে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সাহায্যে ঘোষিত করা এই প্রকল্প এর জন্য লোন দেওয়া নিয়ে কিছুটা ইচ্ছুক ছিল না ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এরা। প্রথম দিকে সমস্ত ব্যাঙ্ক লোন দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছিল না, তারপর রাজ্য সরকার গ্যারেন্টার হওয়ার পরেও আবার কিছু কিছু ব্যাঙ্ক পড়ুয়াদের থেকে কোনো জিনিস বন্দক রাখার কথা বলেছিল- এমন টাই অভিযোগ করেছেন অনেক পড়ুয়ারা, অনেক পরিমাণে অভিযোগ এসেছিল রাজ্য সরকার এর কাছে।

Advertisements

তারপর মুখ্যসচিব হরি কৃষ্ণ দ্বিবেদী সমস্ত ব্যাঙ্ক কতৃপক্ষ কে সতর্ক বার্তা দিয়েছিলেন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এরা যদি রাজ্য সরকার এর দ্বারা তৈরী প্রকল্প এর সাথে সহযোগিতা না করে, তাহলে সরকার সেই সমস্ত ব্যাঙ্ক থেকে সব অ্যাকাউন্ট তুলে নিতে বাধ্য হবে। এই এরকম সতর্কবার্তা পাওয়ার পরে আস্তে আস্তে এই প্রকল্পে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ও সরকার এর দ্বারা তৈরী এই প্রকল্প কে মান্যতা দেওয়া শুরু করে এক এক করে।

Advertisements

বর্তমান এই সময়ে প্রধান ভাবে মাত্র দুটি বেসরকারি ব্যাংক ও নতুন একটি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক এর সাথে চুক্তি করার কারণে এর আগে এক হাজার এরও বেশি পরিমাণে পড়ুয়া এরা এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন ও এখন প্রায় দুই হাজার এর কাছাকাছি পড়ুয়া এই লোন নেওয়ার সুবিধা উপভোগ করতে পাবেন। এই বছর দুর্গা পুজোর পরে আরও একটি রাষ্ট্রয়ত্ত ব্যাংক এর সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেলে এই সংখ্যা অনেক পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে।