হাতে রয়েছে মাত্র একটি মাস আর তারপরেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে SBI, BOB,ICICI, HDFC- ব্যাঙ্কের দুর্দান্ত এই স্কিম-গুলি

প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বড় সহায় সম্বল হলো সঞ্চয়। এদিকে ব্যাংকের সুদ রোজ ই কমছে। যার জেরে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন প্রবীণ নাগরিকরা। আমরা অনেকে ছোট থেকেই বিনিয়োগ করার চিন্তাভাবনা করে থাকি। উপার্জন করার পাশাপাশি কিছুটা সঞ্চয় ও করতে থাকি।সেই সঞ্চয় এর কিছুটা অংশ বিনিয়োগ করি যাতে পরে সেখান থেকে আমরা মোটা টাকা রিটার্ন পেতে পারি।

আমরা সাধারণত ব্যাঙ্ক এই আমাদের সারা বছরের উপার্জন সারা জীবনের জন্য জমা করে থাকি। এবার সাধারন মানুষের জন্য আরো ভালো সুযোগ এনে দিল ব্যাংক। কিছুদিন আগে বিভিন্ন বড় বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং অন্যান্য ব্যাঙ্কগুলি তাদের গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে এক বিশেষ ডিপোজিট প্রকল্প চালু করেছে।যার সাহায্যে আপনি ছয় মাসে মোটা অংকের সুদ পেয়ে যেতে পারেন।

আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট এর ক্ষেত্রে কতখানি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন প্রবীণ নাগরিকরা :-

এসবিআই (SBI) ব্যাঙ্কের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক –

এই ব্যাংকের তরফে সমস্ত গ্রাহকদের জন্য ৫ বছরের মেয়াদে এফডি তে সুদের হার ৫.৪ শতাংশ। সেক্ষেত্রে প্রবীণ নাগরিকদের’ উই কেয়ার ডিপোজিট’ নামের স্কিমে সুদের হার ৬.২ শতাংশ। জানুয়ারি মাস থেকেই এই নতুন স্কিমে অন্তর্ভুক্তি শুরু হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে এই স্কিম ৫ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য।

এইচডিএফসি (HDFC BANK) ব্যাঙ্কের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে জেনে নিন –

এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের সিনিয়র সিটিজেন কেয়ার প্রকল্পে অন্য গ্রাহকদের তুলনায় ০.৭৫ শতাংশ বেশি সুদ বান্ধবীর নাগরিকেরা। অর্থাৎ সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য এই সুদের হার ৬.২৫ শতাংশ হারে সুদে।

ব্যাঙ্ক অফ বরোদা (BOB) ব্যাঙ্কের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে জানুন –

ব্যাঙ্ক অফ বরোদার প্রবীণ নাগরিকদের ৫ থেকে ১০ বছরের মেয়াদের জন্য সুদের হার ৬.২৫ শতাংশ।

আইসিআইসিআই (ICICI) ব্যাঙ্কের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে জানুন –

বিশেষ এফডি স্কিমে সাধারণ গ্রাহকদের থেকে আইসিআইসিআই ব্যাংকে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সুদের হার০.৮ শতাংশ বেশি। এই প্রকল্পে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সুদের হার ৬.৩ শতাংশ। করোনার কারণে এই মুহূর্তে বিধ্বস্ত অর্থনীতি। যার জেরে ক্রমাগত কমছে সুদ। তবে সঞ্চয় এর ক্ষেত্রে এই নতুন স্কিম এর জেরেপ্রবীণ নাগরিকদের সমস্যা কিছুটা সুরাহা হবে বলেই আশা করছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।