ভারতের এই রাজ্যে একটি মাত্র কারাগার রয়েছে যেখানে কয়েদি মাত্র একজন,জানেন কী এই কয়েদির পেছনে কত টাকা খরচ করে সরকার।

আপনারা সকলেই নিশ্চয় শুনে থাকবেন আমাদের দেশের কয়েদী রাখার জন্য যে সমস্ত জেল গুলি রয়েছে সেগুলি সম্পর্কে। আমাদের দেশে অপরাধীর সংখ্যা কম নয়, আর দিনের পর পর এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এমন কি অপরাধীদের তুলনায় আমাদের দেশের জেলের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। দেশে যখন জেলের সংখ্যা কম এমন পরিস্থিতিতে আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব এমন একটি জেলের কথা যেখানে রয়েছে মাত্র একজন কয়েদী। আর সেই জেলটির অবস্থান জলের ভিতর। তাহলে আসুন সেই জেল সম্পর্কে আলোচনা করা যাক।এই জেলটির অবস্থান ভারতবর্ষের এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। এবং সুরক্ষার জন্য জেলটি করা হয়েছে সুমদ্রের একদম মাঝখানে।

দেশের অন্যান্য সাধারণ জেলের থেকে এই জেলটি দেখতে কিছুটা আলাদা। মনে করা হয় এই জেলের আনুমানিক বয়স ৪৭২ বছর। কিন্তু কেন করা হল এই জেল? কাকে রাখা হয় এই জেলে? তথ্য অনুযায়ী পওয়া খবর অনুযায়ী এই জেলে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি করে রাখা হয়েছে ৩০ বছর বয়সী এক কয়েদী কে যার নাম দীপক কাঞ্জি। এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এই কয়েদী নিজের স্ত্রী কে খাবারের সাথে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছিল। আপনাদের জানিয়ে রাখি এই জেলে দীপক কে আর বেশিদিন রাখা হবে না। কিছুদিন পরে তাকে পরিবর্তন করে নিয়ে যাওয়া হবে অন্য একটি জেলে।

বিশেষ সুত্রে জানা গিয়েছে যে, একজন সিপাহী এবং একজন জেল আধিকারিক সব সময় তৈরী থাকেন এই দীপক কাঞ্জির সুরক্ষার জন্য। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে মাস গেলে ৩২ হাজার টাকা খরচ করা হয় এই কয়েদীর সুরক্ষার জন্য।

কিন্তু কেন এত খরচ হয় এই জেলে? কি এমন আছে? সেই ব্যাপারে তদন্তে গিয়ে জানতে পারি যে, এই জেলের রয়েছে এক বিশেষত্ত্ব। এখানে মোট ২০ জন কয়েদী কে রাখার মত জায়গা রয়েছে কিন্তু তারপরও এখানে রাখা হয় মাত্র ১ জন কে। এর ফলে এখানে খাদ্য আনা হয় পাশের রেস্টুরেন্ট থেকে। এছাড়াও এখানে রোজকার খবরের কাগজ দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

#অগ্নিপুত্র