এই তো শুরু, সামনে রয়েছে আরও লম্বা লড়াই তাই দেশবাসীকে তৈরি থাকতে অনুরোধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির…

গতকাল রবিবার দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ডাক দিয়েছিলেন জনতা কারফিউর তাতে দেশের জনগণ যেভাবে সাড়া দিয়েছেন তাতে বেজায় খুশি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সকলেই এই দিন বাড়ি থেকে বের হয়নি জরুরী কোন কাজ ছাড়া। আর বিকেল পাঁচটায় বাড়ি থেকে যেভাবে হাততালি বাজিয়ে কিংবা কাঁসর ঘন্টা বাজিয়ে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করা স্বাস্থ্যকর্মীদের উৎসাহ জানিয়েছেন তার জেরে দেশের জনগণের প্রতি বেজায় খুশি তিনি।

তবে গতকাল রাত্রিবেলায় প্রধানমন্ত্রী আবারও টুইট করে জানান আজ রাত 9 টায় শেষ হয়ে গেল কার্ফু তবে এটার মানে নয় যে এখন লড়াই শেষ এরপর আরো লম্বা লড়াই আসবে।প্রধানমন্ত্রী এই দিন টুইটে লিখেন আগামী দিনে যে চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে এবার এসে দাঁড়াচ্ছে তার মোকাবিলা করার জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে আর দেশবাসীকে এই নিয়ে সচেতন থাকতে হবে।এমন এক অবস্থায় খুব প্রয়োজন না ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হবার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

আর অন্যদিকে যেভাবে কেন্দ্র সরকার লকডাউন এর ডাক দিয়েছেন তার জেরে 23 শে মার্চ বিকেল চারটা থেকে 31 মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে একাধিক শহর। আর কেন্দ্রের এরকম এক পরামর্শ মেনে আজ বিকেল চারটা থেকে আগামী 27 মার্চ রাত বারোটা পর্যন্ত লকডাউন রাখার আদেশ জারি করেছে রাজ্য সরকার ও। আর এর জেরে বন্ধ থাকবে একাধিক দোকানপাট বন্ধ থাকবে গনপরিবহণ ব্যবস্থাও।বন্ধ থাকবে দোকান অফিস কলকারখানা গোডাউন এমনটাই বিজ্ঞপ্তি জারি করে সকলকে বাড়িতে থাকার অনুরোধ করা হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে।

তবে এক্ষেত্রে যে লকডাউন টি করা হচ্ছে সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই লকডাউন এর মধ্যে পড়ছে না হাসপাতাল, বিমানবন্দর, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, পর্যাপ্ত পরিবহন। এর পাশাপাশি ছাড় দেওয়া হয়েছে অতি আবশ্যকারী পণ্য ও খাদ্য বহনকারী গাড়ি গুলো কেউ।তাছাড়া এই লকডাউন আওতায় বাইরে পড়ছে আদালত, সংশোধনাগার , স্বাস্থ্যপরিসেবা, পুলিশ- আধাসেনা, বিদ্যুৎ পরিসেবা, ব্যাংক, এটিএম, সবজি মাছ, মাংস, দুধ, পাউরুটি ইত্যাদি।তাছাড়া পেট্রোল পাম্প, রান্নার গ্যাস, সংবাদমাধ্যম, ওষুধ দোকান এক্ষেত্রে শাটডাউনের আওতায় পড়বে না। আর এই ঘোষণার পাশাপাশি একসাথে 7 জনের বেশি মানুষকে এক জায়গায় জমায়েত করতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।

Related Articles

Back to top button