পড়ুয়াদের স্ট্রেস কাটাতে মুখ্যমন্ত্রীর নয়া প্রকল্প “তরুণদের স্বপ্ন” গান শোনা, দীঘায় ছুটি কাটানো সহ রয়েছে একাধিক উপায়

মানসিক চাপ যেন আমাদের নিত্যসঙ্গী। তার ওপর এই করোনা আবহে লকডাউন এর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। তাই সমস্ত শিক্ষার্থীদের যেন কিছুতেই কাটতে চাইছে না সময়। আর সেই সমস্ত পড়ুয়াদের কথা চিন্তা করেই মানসিক চাপ কমানোর দাওয়াই দিলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা জানান আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী।

সেই ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে বলেন,’ স্ট্রেস নেবে না। স্ট্রেস নিলেই সব ভুলে যাবে। ঘন ঘন রেগে যাবে। তাই মানসিক চাপ নিলে হবে না। মনে রাখবে আমরা যখন চিৎকার করি, তখন অনেক সেল নষ্ট হয়ে যায়। তাই রাগ করলে হবে না। শান্তি বজায় রেখে আমাদের কাজ করতে হবে ‘।

দীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ থাকার কারণে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা নেই পড়ুয়াদের। এরমধ্যে পড়াশোনার চাপও রয়েছে। আর এ কারণেই পড়ুয়াদের মানসিক চাপের প্রসঙ্গ বারবার উঠে আসছে। আর সেই নিয়েই এক অব্যর্থ দাওয়াই দিয়েছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে বলেন,”এক জায়গায় বসে থাকার বদলে মাঝে মাঝে হাঁটাচলা করবে। অনেকের সঙ্গে কথাবার্তা বলবে। সবসময় পড়াশোনা করতে হবে এমন তো নয়। ব্রেক নেবে। এছাড়া মন অন্যদিকে চালিত করতে হবে কখনো কখনো।ভালো গান শুনতে হবে। ইচ্ছে হলে পড়ার মাঝে একবার রান্নাঘরে গিয়ে, মাকে জিজ্ঞাসা করে আসতে পারো, কি রান্না হচ্ছে? মাঝে মাঝে তোমরা দীঘায় ও ঘুরে আসতে পারো”। এর আগে ডব্লিউবিসিএস এ সকল পরীক্ষার্থীদের আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে সুস্থ থাকার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন,” মানসিক চাপ অনুভব করলে খোলা খাতায় হিজিবিজি লিখলেও কাজ হয় “।

রাজ্যের সব জেলার কৃতী পড়ুয়াদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার কথা বলেন মমতা। করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি আয়োজিত হয়েছে। আজই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সূচনা হয় ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের । এমনকি কৃতী পড়ুয়াদের হাতে উপহার ও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। এমনকি সেই উপহার সকলের কাছে পৌঁছেছে কিনা সে বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী খোঁজ নেন। আর সেই সূত্র ধরে তিনি মন্তব্য করেছেন,কারো পড়াশোনা বন্ধ হবে না,সরকার খেয়াল রাখবে।তিনি বলেছেন,”দুঃখটাকে জয় করতে হবে। জীবনে সুখ যেমন আছে,দুঃখ আছে। রোদ যেমন আছে বৃষ্টিও আছে। হতাশ হলে চলবে না।ইতিবাচক থাকতে হবে”।