চাপ বাড়ল পাকিস্তানের! হাতে সময় রয়েছে মাত্র চারটি মাস তার মধ্যেই করে নিতে হবে..

সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক মহলে। এর ফলে ফিনান্সিয়াল টাক্স ফোর্স এই দেশটিকে কোন তালিকায় রাখবে তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে জল্পনা দেখা দিয়েছিল। আবার সেই FATF এর তরফ থেকে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দেওয়া হল।FATF পাকিস্তানকে 2020 সাল পর্যন্ত সময় সীমা দিয়েছে। পাকিস্তানকে স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়েছে 2020 সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে পুরো অ্যাকশন প্ল্যান সম্পূর্ণ করতে হবে।

আর এর মধ্যে উন্নয়ন মূলক স্টেপ নিতে হবে পাকিস্তানকে। আর এগুলো পাকিস্তান যদি না মানে তাহলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে FATF।যদিও পাকিস্তানকে ব্ল্যাক লিস্টে রাখা হবে না গ্রে লিস্টেই রাখা হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে খবর সূত্রে জানা গিয়েছে। বর্তমানে গ্রে লিস্টে রয়েছে পাকিস্তান। অর্থাৎ যে সমস্ত দেশ গুলো অর্থনৈতিক দূর্নীতি সামলাতে অক্ষম সেই সমস্ত দেশগুলি কেই এই তালিকার মধ্যে রাখা হয়।

আপনাদের জানিয়ে দিই 27 টি ক্ষেত্রের মধ্যে মাএ 5 টিতে উতরাতে পেরেছে পাকিস্তান।অর্থাৎ 22 টিতে ফেল করেছে। 1989 সালে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নজর রাখার জন্য FATF নামক সংস্থাটির প্রতিষ্ঠা করা হয়। গত বছর জুন মাসে প্যারিসে এই সংস্থাটি পাকিস্তানকে গ্রে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এবং এবছর অর্থাৎ 2019 সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়। এবং এও বলা হয় যে পাকিস্তান যদি পদক্ষেপ না নেয় তাহলে তাকেও ইরান এবং উওর কোরিয়ার সাথে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।

আর তা হলে বিশ্ব অর্থনীতির বাজারে অনেক বড় ধাক্কা খাবে পাকিস্তান। সরকারি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে 2019 সালের শুরুতে ফ্যাটের প্রেসিডেন্ট মার্শাল বিলিংগস্লিয় বলেছিলেন, সন্ত্রাস দমন তো আরো অন্যান্য ব্যাপারে পাকিস্তান ফ্যাটের নিয়ম একদমই মেনে চলছে না। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের সাথে কোন দেশ দাঁড়াতে চাইছে না। ঠিক এমন একটি অবস্থায় পাকিস্তানকে গ্রে লিস্ট থেকে ব্ল্যাকলিস্টে তালিকাভুক্ত করা হয় তাহলে অর্থনৈতিক দিক থেকে পাকিস্তান একেবারে নিচে নেমে যাবে।