করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে উৎসবের মরসুমে, সাবধানতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর সরকার

গোটা দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমিত হতে না হতেই তৃতীয় ঢেউ এসে পড়েছে! এমনই সরকারি ঘোষণা মহারাষ্ট্রের মুম্বাই ও নাগপুর শহরে। তা শুনেই আতঙ্কে এই দুই শহরের মানুষ ।করোনার পরিস্থিতিকে মোকাবেলার জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ‘উদ্ভব ঠাকরে’ বলেছিলেন রাজ্যের দোরগোড়ায় উপস্থিত করোনার তৃতীয় ঢেউ”। সোমবার রাজ্যের শক্তি মন্ত্রী ‘নীতিশ রাউত’ ও দাবি করেন,তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গিয়েছে নাগপুরে এবং সেই জন্যই শিগগিরই নিষেধাজ্ঞা জারি হতে চলেছে “।

এই পরিস্থিতিতে মুম্বাইয়ের মেয়র ‘কিশোরী পেদনেকার’ বলেন “করোনার তৃতীয় ঢেউ ইতিমধ্যে উপস্থিত হয়ে গিয়েছে মুম্বাইয়ে ।তাই সকলের উদ্দেশ্যে তার আবেদন কোনভাবে করোনাকে আলগাভাবে না নিতে”।আগামী ১০ই সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী। মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় উৎসব। ঠিক তার আগেই তৃতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায়,আশঙ্কায় আছে মহারাষ্ট্র সরকার ও আমজনতা। গণেশ চতুর্থী উৎসবে মুম্বাই ভিড়ভাট্টা দ্বিগুণ হয়ে যায় ।

আর তখনই করোনায় ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।মানুষ যদি উৎসবে মেতে ওঠে তবে করোনার তৃতীয় ঢেউ বিশাল আকার ধারণ করবে ।আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। মুম্বাই একটি বাণিজ্যিক শহর ।তাই এই শহরে লোকজনের ভিড় অত্যন্ত। এই উদ্দেশ্যে মেয়র ‘কিশোরী পেদনেকার’ উৎসবের মরসুমের শুরুতে সকলকে সতর্ক করে তিনি আর্জি জানিয়েছেন “সবাই যেন বাইরে বেরোলেই মুখে মাক্স পড়েন ও সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চলেন”।

সোমবার এই একই আরজি জানাতে দেখা গিয়েছে উদ্ভব ঠাকরেকে ।তিনি বলেন “আমরা উৎসব উদযাপন পরেও করতে পারব,কিন্তু নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও জীবনকে আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। দৈনিক সংক্রমণ যে হারে বাড়তে শুরু করেছে তাতে পরিস্থিতি ফের হাতের বাইরে চলে যেতে পারে।কে চায় উৎসবের দিনে বিধিনিষেধ আরোপ করতে ।কিন্তু মানুষের জীবন বড়ই মূল্যবান ।কেরলে দৈনিক সংক্রমণ ৩০হাজারে পৌঁছে গিয়েছে। মহারাষ্ট্র সাবধান না হলে তাকে বড় মূল্য দিতে হবে”।

আর মানুষ সাবধান না হলে মহারাষ্ট্র ও কেরালার মত করোনা সারা ভারতে সহজেই ছড়িয়ে পড়বে।এদিকে চোখ রাঙাচ্ছে করোনাভাইরাসের একাধিক স্ট্রিম। তাই দ্রুত টিকাকরণ করলেই করোনার মোকাবিলা করতে সহজ হবে সরকারের।