নিজ সামর্থ্যের মধ্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া সকলের মৌলিক অধিকার রায় সুপ্রিম কোর্টের

নিজ নিজ সামর্থের মধ্যে সাশ্রয়ী দামে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। সংবিধানে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যকে প্রয়োজনীয় বলা হয়েছিল আগেই৷ এবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে সেই একই কথা। সেখানে বলা হয়েছে প্রতিটি নাগরিকের সুস্বাস্থ্যের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার 3 সদস্যের একটি বেঞ্চ করোনাভাইরাস মোকাবিলাকে বিশ্বযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অশোক ভূষণ, সুভাষ রেড্ডি, এবং এম আর শাহ এই তিন বিচারপতির বেঞ্চ করোনা মহামারীর সময় স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত মতামত জানান। তারা বলেন করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বহু মানুষ৷ এরপর সেই মৃতদেহ সৎকার পর্যন্ত করা যায়নি, এমন ঘটনাও দেখা গেছে।

 

তৈরি মাস্টারপ্ল্যান! বিজেপির “মিশন বাংলায়” গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন যোগী আদিত্যনাথ…

“স্বাস্থ্যের অধিকার ” এই কথার অর্থ হলো প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের সামর্থের মধ্যে চিকিৎসা পাওয়া। প্রত্যেক ব্যক্তির যাতে নিজের সামর্থের মধ্যে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে পারে সে বিধান তৈরি করা রাজ্যের দায়িত্ব। তাই আদালত থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাজ্য সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যদি আরও বেশি বিধি নিয়ম তৈরি করে এই বিষয় যাতে, বেসরকারি হাসপাতালগুলো ফি নির্ধারণ করে দেয়। তাহলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের অধীনে প্রত্যেক মানুষের চিকিৎসা করা সম্ভব।

বিচারপতিদের বক্তব্য বিশ্বজুড়ে এই মহামারীর কারণে প্রত্যেকটা মানুষই কোনো না কোনোভাবে অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। করোনার বিরুদ্ধে এই লড়াই বিশ্বযুদ্ধের সমান। তাই সরকারি এবং বেসরকারি ভাবে একত্রিত হয়ে উদ্যোগ নিতে হবে করোনাভাইরাস এর মোকাবিলা করার জন্য। যতদিন করোনার চিকিৎসা পদ্ধতি সুলভ স্বাভাবিক না হচ্ছে ততদিন এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা মানুষের পক্ষে চালানো অত্যন্ত কষ্টকর। করোনাভাইরাসের ডিউটিতে যুক্ত থাকা চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ত্রাণ দেওয়ার নির্দেশিকা জারি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সভাগুলি কোভিড বিধি অনুসরণ করে মিটিং মিছিল করছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য বলেছে।