দেশনতুন খবরবিশেষ

গবেষণায় মাধ্যমে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই ভারতের 67 কোটি মানুষ হতে পারেন করোনা আক্রান্ত..

আগামীকাল শেষ হতে চলেছে চতুর্থ দফার লকডাউন। পরপর চার দফা লকডাউন ঘোষণা করার পরও যেন করোনা রুখতে ব্যর্থ সরকার। তবুও আমাদের দেশের বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে চিকিৎসক সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে যাতে করোনার ভ্যাকসিন বা ওষুধ আবিস্কার করা যায়। চতুর্থ দফার লকডাউন শেষ হলে সাধারণ মানুষের অসুবিধার কথা ভেবে কিছু কিছু বিষয়ের উপর ছাড় দিতে বাধ্য সরকার। তবে ছাড় দেওয়া হলেও সরকারের তরফ থেকে যে সমস্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

কিন্তু এই ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের দেশের জন্য ভয়ানক হতে পারে বলে জানাচ্ছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেল্থ এবং নিউরোসায়েন্স এর চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা।ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেল্থ এবং নিউরোসায়েন্স এর চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এক গবেষনা করে জানিয়েছেন যে জুন মাসে ভারতের করোনা সংক্রমণ আরো বাড়বে এবং তা চরমে চলে যেতে পারে।তারা জানিয়েছেন যে 2020 সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দেশের মোট 67 কোটি মানুষ করোনাতে আক্রান্ত হতে পারে।

শুধু তাই নয় এই গবেষণায় আরও একটি বিষয় উঠে আসছে যা কিছুটা হলেও ভয় খাওয়ার মতো। এই গবেষণায় জানা গিয়েছে, পরে 90% মানুষ জানতেই পারবে না যে তাদের শরীরে করোনা পজিটিভ রয়েছে। এই বিষয়টি প্রবল চিন্তার মুখে ফেলে দিয়েছে সারা দেশকে। গবেষকরা জানিয়েছেন এদের মধ্যে আবার 5% মানুষের অবস্থা গুরুতর হতে পারে। এই হিসাবে দেখতে গেলে আমাদের জনসংখ্যা অনুসারে তিন কোটি মানুষকে হসপিটালে ভর্তি করতে হবে।

এছাড়াও এই গবেষণা আরও একটি বিষয় ভাবাচ্ছে। আমাদের দেশে মোট 1 লক্ষ 30 হাজার বেড রয়েছে ভারতের করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করার জন্য। তাই ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে যদি করোনা সময়ের সঙ্গে এতটা পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়তে পারে। গত 24 ঘন্টায় আমার দেশের মোট করানোর সংক্রমনের সংখ্যা 7964 জন। এই সংখ্যাটা এখনো পর্যন্ত সর্বাধিক বলে জানা গিয়েছে। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে 5 হাজারেরও বেশি চলে গেছে আমাদের দেশে।

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনায় মারা গেছেন 116 জন।এ রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা 62 হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তবে পরিযায়ী শ্রমিকরা নিজের রাজ্যে ফেরার পর থেকেই সংক্রমনের সংখ্যা আরো দ্বিগুণ পরিমাণে বাড়তে শুরু করেছে দেশজুড়ে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Related Articles

Back to top button