করোনা ভাইরাসের জেরে আগামী বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত থাকতে চলেছে রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন..

দেশজুড়ে এখন একটা আতঙ্ক করোনাভাইরাস আর এই করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে ও।এবার সেই করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে বিধানসভার অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হতে চলেছে, আজ সোমবার দিন এই নিয়ে একটি বিধানসভায় সর্বদল বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় আর সেই বৈঠকের যে সিদ্ধান্ত বেরিয়ে এসেছে তার দ্বারা জানতে পারা গেছে আগামীকালের মধ্যেই যাবতীয় জরুরি কাজ মিটিয়ে ফেলতে হবে এবং বুধবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য এখন স্থগিত থাকবে বিধানসভার অধিবেশন।

এর পাশাপাশি চিকিৎসকরা এই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সমস্ত রকমের জমায়েত থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাছাড়া কেন্দ্রের তরফ থেকে রাজ্যগুলিকে নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে যতটা সম্ভব জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বাতিল করা হয়েছে একাধিক সভাও। আর কেন্দ্রের এই পরামর্শ মেনে ইতিমধ্যে একাধিক রাজ্যে বিধানসভার ও অধিবেশনে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই তালিকায় নাম রয়েছে রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, বিহার ছত্রিশগড়ের।উল্লেখ্য, বলে রাখি মধ্যপ্রদেশে যেখানে এই মুহূর্তে টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি সেখানেও এই করোনা ভাইরাসের চক্করে 10 দিনের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে বিধানসভার অধিবেশন। রাজ্যজুড়ে এরকম এক ভাইরাসের মোকাবেলা করতে কী রকম ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই জন্য একটি দলীয় বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বৈঠকে বাম -কংগ্রেস এবং বিজেপির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে ঠিক করা হয়েছে আগামী বুধবার দিন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিধানসভার অধিবেশন স্থগিত রাখা হবে।

আর তার আগেই যাবতীয় যে জরুরী কাজকর্ম গুলি রয়েছে সেগুলি সোম ও মঙ্গলবারের মধ্যে মিটিয়ে ফেলা হবে।তাছাড়া এখনই করোনা ভাইরাস এর জেরে হাওড়া কলকাতা পৌরসভা ভোট পিছিয়ে যাওয়া টা একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেছে বললেই চলে। এই নিয়ে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে অতএব কমিশনে ভোটের জন্য বিকল্প তারই ভাবতে শুরু করে দিয়েছে এমনটাই প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা যাচ্ছে। তাছাড়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আজ সোমবার দিন নবান্নের বৈঠক সেরে জানিয়ে দিলেন আগামী 31 মার্চ পর্যন্ত নয় বরং 15 এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখা হবে এই করোনা ভাইরাসের জেরে।

তবে এ ক্ষেত্রে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা চালু রাখা হবে। যেমন টা আমরা জানি এখনো পর্যন্ত এই করোনাভাইরাস মোকাবিলার কোন প্রতিষেধক তৈরি হয়নি এর একমাত্র ওষুধ প্রিভেনশন। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রোগী ফিরিয়ে না দেওয়ার অনুরোধ করেন সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে।

Related Articles

Back to top button