মোদি সরকারের দ্বিতীয় চমক এবার আসতে চলেছে বাংলায়, এতে উপকৃত হবেন সকল দেশবাসী…

দ্বিতীয় বারের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করলেন নরেন্দ্র মোদী। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে নরেন্দ্র মোদির ফের ক্ষমতায় আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মোদির এই দ্বিতীয় ইনিংসে সাধারণ মানুষদের জন্য অনেক চমক অপেক্ষা করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই চমকের মধ্যে একটি হতে পারে ভারতীয় রেল। ইতিমধ্যে ট্রেন-18 অর্থাৎ যেটি আমরা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস নামে জানি। এই ট্রেন ভারতবাসীর কাছে অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

এই জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই মোদী সরকার আগামী দিনগুলিতে ভারতীয় রেল অনেক চমক আনতে চলেছে। সম্ভবত এই বছরের মধ্যেই ভারতের রেল ট্রাকে ছুড়তে চলেছে ট্রেন-18 মতোই সেমি হাইস্পিড ট্রেন-19। শোনা যাচ্ছে এই ট্রেন 19 সিমি হাইস্পিড ট্রেনটি ট্রেন 18 আরও আধুনিক রূপ।
ট্রেন-18 যাতায়াতের জন্য ভারতে সর্বপ্রথম সেমি হাইস্পিড ট্রেন যা পুরোটাই চেয়ারকার। কিন্তু রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর পাওয়া গেছে যে স্লিপার ক্লাস থাকছে।

এর দ্বারা আরও লম্বা এবং দ্রুত পথ অতিক্রম করতে পারবে যাত্রীরা। এই ট্রেনের শুধু স্লিপার ক্লাস নয় চেয়ার কারেরও ব্যবস্থা থাকতে পারে বলে রেল মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে। ট্রেন-19 কোন কোন রুটে চলবে তা রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। তবে পশ্চিমবঙ্গের কোন রুটে এই ট্রেন-19 চলবে কিনা তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনা শুরু হয়ে গেছে বিশেষজ্ঞ মহলের। রেল সূত্রে খবর পাওয়া গেছে যে, ট্রেন-19 এর রেক তৈরীর বরাত দেওয়া হয়েছে চেন্নাইএর ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিকে। করবা গেছে যে প্রায় 40 টি রেক তৈরির বরাত দেওয়া হয়েছে।

শতাব্দী ট্রেন এর বিকল্প হিসেবে ট্রেন 18 চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে। এখন নয়াদিল্লি-বারানসী রুটে এই ট্রেন চলে। 160 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে ভারতের এই সর্ব প্রথম সেমি হাইস্পিড ট্রেনটি চলে। বর্তমানে মাত্র আট ঘণ্টার মধ্যে নয়াদিল্লি থেকে বারানসী পথ অতিক্রম করে এই ট্রেনটি। আপাতত এখন একটি রূপ এই চলছে ট্রেনটি তবে মনে করা হচ্ছে মোদি সরকারের দ্বিতীয় ইনিংসে আর 6 মাসের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের দুটো রুট সহ আরো বেস কয়েকটি রুটে বন্ধেভারত এক্সপ্রেস চলতে পারে।

রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে এও জানানো হয়েছে যে, মাএ 6 থেকে 8 ঘন্টার মধ্যে যেসমস্ত রুট রয়েছে সেইসব রুটেই এই ট্রেন-18 কে চালানো হবে। এর একটাই কারন হল যে, চেয়ার করে বসে 12 থেকে 14 ঘণ্টা বা তারও বেশি যাত্রা করলে সাধারণ মানুষের অনেক অসুবিধা হবে। এই সমস্যার সমাধান করার জন্যই ট্রেন-19 এ স্লিপার ক্লাস যুক্ত করার কথা ভেবেছে রেলমন্ত্রক। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখেই এই ট্রেন 19 পুরোপুরি ভাবে তৈরি করা হবে। 160 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় চলার ক্ষমতা রাখবে ট্রেন-19। ট্রেন-18 এর মতন ইঞ্জিনবিহীন ট্রেন হতে চলেছে ট্রেন-19।

এই ট্রেন-19 সামনে এবং পিছনে উভয় দিকেই মুভ করতে পারবে। কোন ঝাঁকুনি ছাড়াই খুব সহজে স্পিড বাড়াতে এবং কমাতে পারে। এই প্রেমের দরজা গুলো পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়। এছাড়া পড়ে ট্রেনটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত হবে। তাহলে এখনো সাধারণ মানুষের কাছে একটাই কৌতুহল যে এই ট্রেনটি কোন কোন রুটে চালানোর সিদ্ধান্ত নেন রেল মন্ত্রক।