১২ ফেব্রুয়ারি খুলছে স্কুল, ছাত্র-শিক্ষককে মানতেই হবে একাধিক সরকারি গাইডলাইন

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১  থেকে রাজ্যজুড়ে স্কুল চালু হচ্ছে । আপাতত নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস হবে। বাকিদের এখন স্কুলে যেতে হবে না৷ ইতিমধ্যেই তা জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ২৮পাতার একটি  গাইডলাইন প্রকাশ করেছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। গাইডলাইনে স্কুলগুলিকে কী ব্যবস্থা নিতে হবে, শিক্ষকদের দায়িত্ব কী হবে,  প্রধান শিক্ষকদের কোন দায়িত্ব থাকবে, জেলা স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকদের দায়িত্ব কী কী এবং  প্রশাসনের ভূমিকা কী হবে, সেই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

গাইডলাইনে বলা হয়েছে,  প্রত্যেকটি স্কুলে নোটিশ বোর্ডে লাগাতে হবে। যেখানে লেখা থাকবে  মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক শিক্ষক এবং  শিক্ষক কর্মীদের জন্য। যদি ছাত্রছাত্রীদের জ্বর থাকে বা কোন রকম শারীরিক সমস্যা থাকে তাহলে অভিভাবকদের জানাতে হবে এবং ন্যূনতম সাতদিন বাড়িতে বিশ্রামে রাখতে হবে।

প্রতিটি স্কুলে একটি করে আইসোলেশন রুম থাকতে হবে৷ প্রত্যেকদিন স্কুল স্যানিটাইজ করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার দিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। কোনও ভিজিটর,অভিভাবক স্কুলের ভেতরে ঢুকতে পারবেন না।

স্কুলে যখনই ছাত্রছাত্রীরা আসবে হাত পরিষ্কার করতে হবে। কোন প্রার্থনা জমায়েত করা যাবে না।  তবে ক্লাসরুম ভিত্তিক প্রার্থনা করা যেতে পারে। অন্যের বই,ব্যাগ, টিফিন যাতে  কোন ছাত্র-ছাত্রী স্পর্শ না করে সেদিকেও দেখতে হবে।
কোনও রকম খাবার, জল আদান-প্রদান একেবারেই নিষিদ্ধ।

স্কুলে যখন ছাত্রছাত্রীরা ঢুকবে তখন দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। শিক্ষকদের বোঝাতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের এখন সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চলা  এবং হাত পরিষ্কার করা  প্রয়োজনীয় বিষয়। আপাতত খেলাধুলা বা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।

স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের তাপমাত্রার রেকর্ড রাখবে।এই সব গাইডলাইন মানা হচ্ছে কি না তা দেখবে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক। যদি কোন সমস্যা দেখতে পান তাহলে তা যেন অবিলম্বে দ্বারা জেলাশাসকদের নজরে আনেন।

প্রধান শিক্ষকরা ব্যক্তিগতভাবে সব ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলবেন যাতে তাদের মধ্যে থেকে করোনার ভয় দূর হয়।

পোস্ট অফিসের দুর্দান্ত স্কিমে এখন মাত্র 50 টাকা করে জমা করে পাবেন লক্ষাধিক টাকার লাভ

ক্লাস চলাকালীন ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রছাত্রীরা যাতে না বেরিয়ে যায় তার প্রতি নজর রাখতে হবে শিক্ষকদের। যারা অনলাইনে ক্লাস করতে পারে নি তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন নিতে হবে শিক্ষকদের। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ক্লাস নিতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের। অভিভাবকদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। প্রয়োজন ছাড়া শিক্ষকরা ছুটি নেবেন না৷ কারণ এতদিন বাদে স্কুল খোলা হচ্ছে।

স্কুল খোলার আগে কি কি ব্যবস্থা নিতে হবে তার জন্য চেকলিষ্ট দেওয়া হয়েছে প্রধান শিক্ষক, জেলা স্কুল বিদ্যালয় পরিদর্শকদের এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও। যে চেকলিস্ট প্রত্যেকদিন পূরণ করতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবক অভিভাবিকাদের।