লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভারতে করোনা সংক্রমণের হার, সংক্রমণে দিক থেকে এবার ইতালিকেও টপকে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এল ভারতের নাম..

পঞ্চম দফার লকডাউন কিছুটা শিথিল করা হলেও পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে দিনের পর দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কিছুদিন আগে পর্যন্ত সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ইতালিতে। কিন্তু ভারতের যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে ইতালি কেও পিছনে ফেলে দেবে বলে মনে করছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে আমাদের দেশে করোনাতে আক্রান্তের সংখ্যা 2 লক্ষ 35 হাজার পেরিয়ে গেছে। প্রসঙ্গত গত সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের দিক থেকে চীন কে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত।

রিপোর্টে জানা গেছে 29 শে মে এর পর থেকে ভারতে প্রত্যেকদিন 8000 বা তার বেশি করোনাতে আক্রান্ত হচ্ছে। 2 জুন আমাদের দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দু’লক্ষ পেরিয়ে গেছে। রিপোর্টে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে প্রত্যেক 15 দিন অন্তর অন্তর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পর কার্যত চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই করোনা। এই সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা মনে করেছেন, ভবিষ্যতে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে এবং এই তালিকায় আরও উপরে উঠে আসবে।

বর্তমানে ইরান, জার্মানি এবং ফ্রান্স কে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। মনে করা হচ্ছে এই সপ্তাহের মধ্যে করোনা সংক্রমনের সংখ্যার দিক থেকে স্পেন কেও পিছনে ফেলে দেবে। এরপর চীনের একদল গবেষক ভারতের করোনা সংক্রমনের সংখ্যা নিয়ে জানিয়েছেন যে, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ জুন মাসের মাঝামাঝি সময় করে দিনের 15,000 করে বাড়বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। আর এমন ঘটনা ঘটলে ভারতের সামনে অনেক বড় একটা বিপদ অপেক্ষা করছে।


কারণ প্রত্যেকদিন 15 হাজার করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে। তবে যেদিন থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর জন্য শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র তারপর থেকেই ভারতের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে ব্যাপকভাবে। পশ্চিমবঙ্গের গত 24 ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে 427 এবং মারা গেছেন 11 জন। সবকিছু মিলিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা 7303 জন। এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে 294 জন। তবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি সুস্থ হওয়ার হারও বাড়ছে। রাজ্যে মোট 2912 জন করোনার সাথে লড়ে জয়ী হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

Related Articles

Close