নরেন্দ্র মোদীকেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাইছেন দেশের মানুষ, বেরিয়ে এলো সমীক্ষার ফলাফল

করোনা আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তাতে মোটেও ভাটা পড়েনি। বরং আগের তুলনায় আরো অনেকখানি বেড়েছে তার জনপ্রিয়তা। এই মুহূর্তে দেশে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। তার পাশাপাশি কাশ্মীর লাদাখ সীমান্তে বেশ সমস্যা করছে; পাকিস্তান ও চীন। তাছাড়া করোনা আবহে দেশের অর্থনীতির অবস্থাও; বেশ সংকটে রয়েছে। আর তারপরই দেশজুড়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব কে নিয়ে। তবে তাতে কোনো যায় আসে না কারণ দেশের জনগণ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এখনো নরেন্দ্র মোদীকেই দেখতে চাইছেন।

এই নিয়ে ইন্ডিয়া টু-ডের মুড অফ নেশনস (Mood of the Nation) এর তরফ থেকে একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল যেখানে বেরিয়ে এসেছে এই সমীক্ষার ফলাফল এবং এই সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের 66 শতাংশ মানুষ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীকেই বেছে নিয়েছেন। অন্যদিকে এই সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের 8 শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছেন রাহুল গান্ধীকে এবং 5 শতাংশ মানুষ বেছে নিয়েছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী কে। এক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উদ্ধব ঠাকরেরা, নামমাত্র ভোট পেয়েছেন।

এর আগে জানুয়ারিতে যখন এই সমীক্ষা করা হয়; তখন মোদী পেয়েছিলেন 53 শতাংশ ভোট। আর রাহুলের ভাগ্যে জুটেছিল 13 শতাংশ ভোট। অর্থাৎ গত কয়েক মাসে করোনা পরিস্থিতিতেও; মোদীর জনপ্রিয়তা আগের তুলনায় অনেকখানি বেড়েছে। তার পাশাপাশি কমেছে বাকিদের রেটিংসও। প্রসঙ্গত যেমনটা আমরা দেখতে পেয়েছি গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনা ও চীনা সেনাদের সংঘর্ষের পর প্রথম ধাপে কেন্দ্রের তরফ থেকে 29 শে জুন কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় যেখানে কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী ভারত থেকে 59 চীনা অ্যাপ ব্যান করে দেওয়া হয় তবে এখানেই শেষ নয় এরপর আবারও দ্বিতীয় ধাপে আরও 47 টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার। তারপর আবার গত দুইদিন আগে আরো 15 টি চীনা অ্যাপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ভারতে। আর প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া এই সিদ্ধান্তকে দেশের 91 শতাংশ মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন।