মাটির উঠানে উদ্ধার প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো চিঠি! গুপ্তধন নাকি অন্য কিছুর ইঙ্গিত?

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো রহস্য। কি সেই রহস্য? বাড়ির উঠোন থেকে উঠছে গুপ্তধন যা আজ থেকে ১৩৫ বছর আগেকার ঘটনা। ঘটনাটি ঘটেছে স্কটল্যান্ডের এডিনবরাবতে। এডিবরার এই বাড়িতে কাজ চলছিল গর্ত খোঁড়ার এবং সেই বাড়িতেই কাজ করছিলেন একজন মিস্ত্রি। যিনি সেই খোঁড়াখুড়ির কাজ করতে গিয়েই এই রহস্যের উন্মোচন ঘটান।

মাটির নিচে পাওয়া গেছে একটি ওয়াইনের বোতল এবং সেই বোতলের মধ্যে পুরে রাখা রয়েছে কয়েক দশক আগেকার একটি পুরনো চিঠি। মিস্ত্রি সেই চিঠিটি পেয়ে বাড়ির মালিকের কাছে গেলে বাড়ির মালিক অবশ্য বোতলটি ছিপি খুলতে অস্বীকার করেন এবং বাড়িতে ছেলেমেয়ে ফেরার জন্য অপেক্ষা করেন। তাঁরা বাড়ি ফিরলে সে বোতলটি খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং প্রত্যেকেই যথেষ্ট উদগ্রীব হন সেই চিঠিটি পড়ার জন্য।

বোতল ভেঙে চিঠিটি যখন বার করা হয় দেখা যায় চিঠি দিতে দুজন ব্যক্তির স্বাক্ষর রয়েছে একটি জেমস রিচি ও অপরজন জন গ্রিভ, যারা নিজেদের পরিচিতিতে শ্রমিক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা ই এই বাড়ির উঠোনটি তৈরি করেছিলেন এবং যেহেতু তাঁরা শ্রমিক ছিল কাজের ফাঁকে তাঁরা মদ্যপানও করতেন। একদিন হঠাৎই তাদের মনে হয় এই যে তাঁরা কতটা পরিশ্রম করে কাজ করছেন তা সকলকে জানুক। যাতে পরবর্তীকালে তাদের কথা কেউ মনে রাখে মূলত নিজেদের যন্ত্রণার কথা ব্যক্ত করতেই এই চিঠি লেখা হয়।

চিঠিটি প্রায় ১৮৮৭ সালের ৬ই অক্টোবর লেখা হয়েছে। কিন্তু পরে নিজেদেরই এই বিষয়ে লজ্জা হয় ফলে চিঠিটি যাতে কারোর হাতে না পড়ে তার জন্য তাঁরা মদের বোতলের মধ্যে সেই চিঠিটি পুড়ে মাটিতে পুঁতে দেন। আজ প্রায় শতবর্ষ পরে জানা গেল তাদের সেই কর্মকাণ্ডের কথা। অনেকেই এ বিষয়টিকে নিয়ে ঠাট্টা করেছেন। গুপ্তধন ভেবে এই তার শেষ পরিণতি। তাই বিষয়টিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ট্রোল হয়েছে যথেষ্ট তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।