রাজ্যের নতুন উদ্যোগ মাত্র 25 টাকায় বিনিময়ে পেতে পারেন, দু লক্ষ টাকা সাথে পেনশনও সুবিধা।

অল্প বয়স থেকে আমরা যতই পরিশ্রম করি না কেন একদিন না একদিন একটা বয়সের পর সবাইকে থেমে যেতে হবে। তাই আমরা সবাই সময় থাকতে যতটা পরিবার পারি সঞ্জয় করে নিয়ে যাতে ভবিষ্যতে অবসর সময়ে অসুবিধা না হয়। আপনারা সবাই জানেন সরকারি চাকরি ছাড়া পেনশন কোন কাজেই পাওয়া যায় না। তবে কোন কোন বেসরকারি সংস্থা গ্রাহকদের আকর্ষণ করার জন্য পেনশন স্কিম এর মতন স্কিমও মাঝে মাঝে দিয়ে থাকেন। সেইসব স্কিম গুলিতে অনেকটাই টাকা জমাতে হয় তবেই বয়স কালে এসে মোটা অংকের পেনশন মিলবে। কিন্তু যতোই হোক সরকারের দেওয়া পেনশনেতে যে ভরসা পাওয়া যায় তা বেসরকারি স্কীমগুলোর থেকে অনেক ভরসা যোগ্য। যেমন কেন্দ্রীয় সরকারের একটি যোজনা হলো অটল পেনশন যোজনা।


এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার এমন একটি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে যা শুনলে সাধারণ মানুষ খুশি হবেন। কোন ব্যক্তি মাসে মাসে 25 টাকা করে জমা দিলে 60 বছর পর ওই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিটি পেনশন পাবেন। গত সপ্তাহে শুক্রবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কেবল অপারেটরদের এক সম্মেলনে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানে তিনি কেবল অপারেটরদের জন্য এক প্রকল্পের ঘোষণা করেন। কেবিল টিভি এ রাজ্যে প্রবেশ করেছে প্রায় অনেকদিন আগেই। কেবল টিভি ব্যবসা শহরাঞ্চলের খুব ভালভাবে চললেও,বর্তমানে এখন গ্রামে গঞ্জেও রমরমিয়ে চলছে। যত দিন যাচ্ছে টেকনোলজির যত উন্নত হচ্ছে তত কেবিল নেটওয়ার্ক ভালো হচ্ছে,কিন্তু বদলাচ্ছে না কেবল অপারেটরদের অবস্থা।

আর এই সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় একগুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করেন। সম্মেলনে যোগ দেওয়া দক্ষিণ 24 পরগনার এক কেবল অপারেটর,তার দুর্দশার কথা মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট করে জানান। তার এই দুর্দশার কথা শুনে সমস্যার সমাধান করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পেনশন যোজনা আর কথা ঘোষণা করেন। আর কিছুক্ষণ আগেই সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। একদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত কেবেল কানেকশন প্রদানকারী এম এস দের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন, এবার থেকে তারা যেন তাদের সমস্ত কর্মচারীদের স্বার্থ দেখেন। সমস্ত সমস্যার সমাধান একসাথে করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। আর এইসব বেপান্নঃ যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় তার জন্য তিনি একটি কমিটিও গঠন করে দিয়েছেন। আর এই কমিটিতে রাজ্যের তিন নেতা ফিরহাদ হাকিম,মলয় ঘটক এবং অরূপ বিশ্বাস এদের দায়িত্ব দিয়েছেন।


এই রাজ্যে প্রায় 1 লক্ষ 30 হাজার কেবল অপারেটর রয়েছে। আর এই সমস্ত অপারেটরদের পরিবারের কে স্বাস্থ্য সাথী ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় আনার ঘোষণা করেছেন তিনি। আর যে পেনশন প্রকল্পটির ঘোষণা তিনি করেছেন তাতে যে সমস্ত কেবল অপারেটররা ইচ্ছুক তারা প্রতি মাসে মাসে 25 টাকা করে দিলে 60 বছর পরে ওই কেবল অপারেটররা নগদ 2 লক্ষ টাকা তো পাবেনই তার সঙ্গে প্রতি মাসে হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন।
ঐদিন কেবল অপারেটরদের জন্য আর একটি বিশেষ ঘোষণা করেন তিনি। ওই ঘোষণায় বলা হয়েছে কুড়ি লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যবসা এবার জিএসটি মুকুব করে দেওয়া হবে। মমতা ব্যানার্জির এই প্রকল্প গুলি চালু করায় কেবল অপারেটররা এখন খুশি।