জনজীবনকে স্বাভাবিক করে তুলতে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে 12 টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের..

দেশজুড়ে চতুর্থ দফা লকডাউন শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু করা হয়েছে আনলক ওয়ান যেখানে জন জীবনকে স্বাভাবিক করে তুলতে পুনরায় চালু করা হয়েছে রেস্তোরাঁ, ধর্মীয় স্থান ও অফিসগুলি। তবে বর্তমানে দেশের যা পরিস্থিতি সেখানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে এই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দিনদিন হু হু করে বেড়েই চলেছে। তাছাড়া যেমনটা আমরা জানি 8 জুন থেকে অর্থাৎ সোমবার থেকে খোলা হয়েছে দেশজুড়ে বিভিন্ন শপিংমল, রেস্তোরাঁ। তবে এবার ঘরের বাইরে পা দেওয়ার আগে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তরফ থেকে কিছু নির্দেশিকা জারি করে দেওয়া হল যেখানে জানানো হয়েছে এই নির্দেশিকাকে যেন মাথায় রেখেই বাড়ির বাইরে পা দেন সকলে।

তবে দেরি না করে আপনাদেরকে সেই নির্দেশিকা সম্পর্কে জানানো যাক, যেগুলি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে জারি করা হয়েছে–
1) যেখানে প্রথমেই বলা হয়েছে কোনো রকম শারীরিক সংস্পর্শ ছাড়াই সকলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করুন প্রয়োজনে 6 ফিটের দূরত্ব বজায় রাখুন সকলের থেকে।

2) এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যম ও জনবহুল এলাকায় 6 ফিটের দূরত্ব বজায় রেখে চলবেন।

3) এর পাশাপাশি হাতে তৈরি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য মুখের মাস্ক ব্যবহার করবেন সর্বদা।


4) এর পাশাপাশি হাঁচি ও কাশির সময় সর্বদা মুখ ঢেকে রাখুন।

5) ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘনঘন হাত ধুবেন, আর এক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন সাবান অথবা অ্যালকোহল রয়েছে এমন স্যানিটাইজার।

6) আর যতটা পারবেন এই মুহূর্তে অযথা চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ করার থেকে দূরে থাকতে।

7) আর নিত্যদিন ব্যবহার করা বস্তু গুলিকে পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করা।

8) কোন দরকারি কাজ ছাড়া অযথা অপ্রয়োজনীয় সফর করবেন না।

9) তামাকজাতীয় দ্রব্য চেবাবেন না এবং জনবহুল এলাকায় থুতু ফেলবেন না।

10) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই মুহূর্তে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যদি স্থাগিত রাখা সম্ভব হয় তাহলে সেটিকে আপাতত স্থগিত করে দিন, আর যদি স্থগিত না রাখা যায় তাহলে সেক্ষেত্রে সীমিত সংখ্যায় অতিথি দেরকে ডাকুন ।

11) অন্যদিকে যারা এই মুহূর্তে কোভিড-19 আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন এবং যারা এই মুহূর্তে সংক্রমণ রোগ যে লড়াই করে যাচ্ছেন সে সকল ব্যক্তিদের নিয়ে বৈষম্য করবেন না।

12) এই মুহূর্তে বিভিন্ন জনসমাগম এলাকা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখুন।

অর্থাৎ সংক্রমণ রোধে সামাজিক দুরুত্ব ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে নিয়ম গুলি অনুসরণ করে চলবেন।আর এক্ষেত্রে যদি আপনি নিয়মিত অভিযান শুরু করে দিয়েছেন তাহলে কিন্তু অবশ্যই আগাম সতর্কগুলি মেনে চলুন।এর আগেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী তরফ থেকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় স্থান, শপিংমল ,অফিস, রেস্তোরাঁ গুলির জন্য বিশদ স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি জারি করা হয়েছিল।

Related Articles

Back to top button