শেষবারের মতো দেখা হল ‘সিডনাজ’-এর, কান্নায় ভেঙে পড়লেন শেহনাজ গিল

সিদ্ধার্থ শুক্লা র সঙ্গে শেহনাজ গিল এর কেমিস্ট্রি সর্বদাই বলিউড স্পটলাইটে। বন্ধুত্বের সূত্রপাত ‘ বিগ বস ২০১৯ ‘ এর হাত ধরেই। তাদের খুনসুটি, ঝগড়া, ভাব মন কেড়েছিল দর্শকদের। এমনকি বি-টাউনের অন্দরেও কান পাতলে এযাবৎকাল শোনা যেত সিদ্ধার্থ আর শেহনাজ নাকি একে অপরের সঙ্গে প্রেম করছে। যদিও প্রকাশ্যে কোনদিনও একথা স্বীকার করেননি দুজনের কেউই। কিন্তু আজ যখন শেহনাজ গিল জানতে পারলেন যে সিদ্ধার্থ আর নেই। চিরতরের জন্য পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। তখন আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারলেন না। কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন প্রয়াত অভিনেতার ‘বিশেষ বান্ধবী’।ওশিয়ারার শ্মশানে বিলীন হয়ে যাবে সিদ্ধার্থ শুক্লা র নশ্বর দেহ। আর কথা হবেনা কোনদিন। আর দেখা হবে না তাদের। তাকে শেষ বিদায় জানাতে হাজির হয়েছিলেন শেহনাজ গিল। চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ, মুখ মাস্কে ঢাকা,চুল আলুথালু।শেহনাজের বাবা খোদ সন্তোষ সিং সুখ বলেন,” শেহনাজ ঠিক নেই। খুব খারাপ মানসিক পরিস্থিতি ওর। আমি সবসময় ওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি”। সব সময় হাসিখুশি থাকা মেয়েটার আগে দেখেননি নেটিজেন। শেহনাজ গিল মানেইতো একগুচ্ছ মুক্ত বাতাস।তাঁর এই অবস্থা মেনে নিতে পারছেন না সিদ্ধার্থ -শাহনাজের ভক্তরাও।শেহনাজ শোক কাটিয়ে স্বাভাবিক হোন, তিনি সুস্থ থাকুন, এই প্রার্থনাই করছে তাঁরা।তিনি যে একেবারেই ভালো নেই সে কথা বৃহস্পতিবার জানিয়েছিল তার পরিবার। প্রথমে শোনা গিয়েছিলো সিদ্ধার্থের খবর শোনা মাত্রই সুট বন্ধ করে হাসপাতালে ছুটে যান শেহনাজ। যদিও পরে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম দাবি করে, শেহনাজের কোলে মাথা দিয়েই নাকি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ছিলেন সিদ্ধার্থ। অভিনেতার ঘনিষ্ঠ বেশকিছু জন জানিয়েছেন, বুধবার রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ বাড়ি ফেরেন সিদ্ধার্থ। তখন তাঁর শরীর একদম ই ভাল লাগছিল না। তার মা এবং শেহনাজ দুজনেই তখন বাড়িতে ছিলেন।প্রথমে লেবুর জল এবং পরে তাকে আইসক্রিম খেতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা কাজে লাগেনা।অস্বস্তি বাড়তে থাকে ক্রমশ। কিছুতেই তার ঘুম আসছিল না তখন। সিড তখন শেহনাজ কে পাশে থাকতে বলেন। এমনকি পিঠে হাত বুলিয়ে দেওয়ার কথা ও নাকি বলেছিলেন। শেহনাজ পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে থাকাতেই ঘুমিয়ে পড়েন সিদ্ধার্থ।

পরেরদিন সাতটা নাগাদ ঘুম থেকে উঠে শেহেনাজ দেখেন ঠিক একই রকমভাবে ঘুমিয়ে আছেন সিদ্ধার্থ।ভয় পেয়ে পরিবারের বাকিদের ডাকতে ছুটে যান তিনি।ফোন করা হয় পারিবারিক ডাক্তার কেও।তিনি এসেই বুঝতে পারেন সিদ্ধার্থ আর নেই।তারপর কুপার হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।