ভারতের বৃহত্তম এই রেল-রোড ব্রিজে যুদ্ধের সময় নামার সুবিধা রয়েছে যুদ্ধবিমানেরও।

দেশের দীর্ঘতম রেল ব্রিজ খুলে গেছে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অসমে এই দীর্ঘতম সেতুটির উদ্বোধন করেন। এই সেতুটি তৈরি করতে 5900 কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই সেতুটির মেয়াদ রয়েছে 120 বছর পর্যন্ত। এই সেতুটি অসাম এবং অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই কমে দিয়েছে তেমনি আবার সামরিক দিক থেকেও এই সেতু কে কাজে লাগানো হবে।যেহেতু এই ব্রিজ অরুণাচল প্রদেশে যোগাযোগ পড়ছে সেহেতু যেমনি পরিস্থিতি হোক চীন সীমান্তে খুব সহজেই সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো যেতে পারে। এমনকি স্টেশন থেকে ট্যাঙ্কক রেলপথে পাঠানো সম্ভব হবে এই সেতুর দ্বারা।

শুধু এটাই নয় এই ব্রিজটিকে এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ভারতীয় বায়ুসেনা যায় এই ব্রিজটি কে এয়ারস্ট্রিপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। ব্রীজের রাস্তার ওপর যুদ্ধবিমান ও নামানো যেতে পারে। ব্রীজটিতে তিনটি লেনে যুদ্ধ বিমান ওঠানামা করতে পারবে। তাহলে আগামী দিনে এই বৃষ্টি সামরিক ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে বলে মত প্রকাশ করেছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা। 1997 সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌডা। সমীক্ষা মাপজোপ ইত্যাদি এবং ব্রিজ তৈরি সম্ভব হবে কি না তা দেখতে শুনতে পাঁচ বছর পেরিয়ে যায়।

তারপর রেল রাজি হওয়ায় 2002 সালের ব্রীজ তৈরীর নির্মাণ কাজের সূচনা করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ী। এই ব্রীজটির দৈর্ঘ্য প্রায় 5 কিলোমিটার। এই ব্রিজটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে 5920 কোটি টাকা। 21 বছর ধরে ধীরে ধীরে বহ্মপুত্রের উপর মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বিগিবিল ব্রিজ। এবার দেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম দোতলা ব্রিজ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

আরো এরকম নতুন নতুন খবরে আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েব পোর্টালটিতে।