সরকারও দেবে সাবসিডি! মাত্র ৩০ হাজার টাকা দিয়ে আজই শুরু করুন এই ব্যবসা মাসিক আয় ৩ লক্ষ টাকা, বিস্তারিত জানতে

করোনা-কালীন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক মন্দার দিকে চলেছে গোটা দেশ। বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। এছাড়া সাধারণ মানুষের দিন যাপনের জন্য টাকা জোগাড় করতে নাভিশ্বাস উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে অল্প টাকা বিনিয়োগ করে আপনি উপার্জন করতে পারেন মোটা টাকা। একদিকে যেমন এই পরিস্থিতিতে চাকরি হারাচ্ছে বহু মানুষ তেমনি নিজের ব্যবসার পরিকল্পনা করছেন অনেকে । এই পরিস্থিতিতে অল্প টাকা ইনভেস্ট করে একটা নিজস্ব ব্যবসা খোলার চেষ্টা করছেন অনেকেই ।

যাদের এরকম পরিকল্পনা আছে তাদের জন্যও রইলো একটি দুর্দান্ত বিজনেস প্ল্যান । মাত্র ৩০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন ব্যাবসা । যার থেকে প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন মোটা টাকা । সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় এই ব্যবসার জন্য সরকারের তরফ থেকে ৫০ শতাংশ সাবসিডি পাবেন। সাম্প্রতিককালের মুক্ত চাষের প্রতি মানুষের ইন্টারেস্ট বাড়ছে। এমনকি মুক্তো চাষের মানুষ লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করছেন মুক্ত চাষ এমন একটি প্রকল্প যেখানে আপনিৎঅল্প টাকা বিনিয়োগ করে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তাই সাধারণ মানুষ এই ব্যবসার প্রতি আরো আগ্রহী হয়ে উঠছেন । এই ব্যবসা শুরু করার জন্য মূলধন হিসাবে আপনার চাই একটি পুকুর ,ঝিনুক এবং প্রশিক্ষণ। ব্যবসা শুরু করার জন্য অতিরিক্ত কিছু টাকার প্রয়োজন হচ্ছে না । ঝিনুক জোগাড় করা হয় এমন কিছু আহামরি ব্যাপার নয়। ভারতের প্রায় সমস্ত জায়গায় ঝিনুকের চাহিদা আছে । দক্ষিণ ভারত এবং বিহারে ঝিনুকের কোয়ালিটি সবথেকে ভালো। এছাড়া ভারতে একাধিক সংস্থা আছে যারা এই চাষের জন্য প্রশিক্ষণ দেয় । সর্বোপরি এই ব্যবসার জন্য সরকারের তরফ থেকে ৫০ শতাংশ সাবসিডি দেয়া হবে।

ঝিনুক চাষের পদ্ধতি টিও অত্যন্ত সহজ । এই চাষের জন্য প্রথমে সমস্ত ঝিনুক গুলিকে একটি জালে বেঁধে ১০ থেকে ১৫ দিনের জন্য জলে ডুবিয়ে রাখা হয় । এরপর ঝিনুক গুলি কে তুলে সার্জারি করা হয়। সার্জারি করার অর্থ হল ঝিনুক গুলির ভিতর একটি কণা বা পার্টিকেল ঢুকিয়ে দেয়া হয় ।এরপর সেখান থেকেই একটি স্তর তৈরি হয় যা পরবর্তীকালে মুক্তোর রূপ নেয়। সাধারণত একটি ঝিনুক থেকে দুটি মুক্ত পাওয়া যায়। প্রতিটা ঝিনুক তৈরি করতে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা খরচ পরে ।

যেখানে একটি মুক্ত বিক্রি হয় ১২০ টাকায়।কোয়ালিটির উপর এই মুক্তার দাম নির্ভর করে । কোয়ালিটি যদি ভাল হয় তাহলে একটি মুক্ত ২০০ টাকা কি তার উপর দামে বিক্রি হয় । এক একটি পুকুরে ২৫০০০ ঝিনুক উৎপাদন হলে তা মোটামুটি ৪ লক্ষ টাকা খরচ পরে। তৈরী হওয়ার সময় ৫০ শতাংশ ঝিনুক নষ্ট হলেও বছরে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা । সুতরাং কম খরচে মোটা টাকা লাভ থাকছে।