বিশ্ববাজারে দিন দিন বাড়ছে ভারতের তৈরি মিসাইলের চাহিদা, এরই মধ্যে মিলেছে ১০ হাজার কোটি টাকার অর্ডার

ভারত নিজেকে উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য বিভিন্ন উৎপাদন মূলক কাজ করছে। এমনই কি কাজ হল মিসাইল তৈরি।আর এই মিসাইল কেনার জন্য বিশ্বের বিশাল বিশাল দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ভারতের থেকে মিসাইল কেনার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বহু দেশ এখন থেকে অর্ডার দিতে শুরু করেছে।ভারত এরই মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকার অর্ডার পেয়েছে। ব্রহ্মোস-এনজি(Brahmos-NG)ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা ২০২৩সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।একটি সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র অ্যারোস্পেস রাশিয়া ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে তৈরি।

ইতি রাশিয়ান NPO Mashinostroeniya (কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র কর্পোরেশন,KTRV এর একটি সহযোগী সংস্থা) এবং ভারতের ডি আর ডি ও ডিজাইন তৈরি করেছে।প্রথম পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হয়েছিল ২০০২ সালে। উত্তর প্রদেশের লখনউ এ বিশাল এলাকাজুড়ে কারখানা তৈরি করে ব্রহ্মোস মিসাইল তৈরি করা হচ্ছে।সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাওয়ার পর ৩০ থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকার অর্ডার শুধুমাত্র বায়ুসেনা দেবে। এই মিসাইল কেনিয়া,সৌদী আরব,মিশর, আলজেরিয়া,বাহারাইন,ভিয়েতনাম প্রভৃতি দেশ কেনার জন্য আগ্রহী।

রাশিয়ার লাইসেন্সের অধীনে গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেড প্ল্যান্টে এর নির্মিত হচ্ছে নতুন দুটি প্রকল্প।১১৩৫৬ তালওয়ার শ্রেণীর ফ্রিগেট গুলি ব্রহ্মোসের সাথে সজ্জিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।এই ক্ষেপনাস্ত্রের২৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়বার পরিধি। এটি সুপারসনিক গতিসম্পন্ন ফ্লাইট, ফলে ওড়ার সময় কম লাগে।ফলস্বরূপ লক্ষ্যবস্তুকে অতি সহজে চিহ্নিত করতে পারে।এই ক্ষেপণাস্ত্র’ফায়ার এন্ড ফরগেট’ প্রিন্সিপ্লে কাজ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার রাস্তায় বিভিন্ন ধরনের ফ্লাইটকে আক্রমণ করে।

অতিরিক্ত গতিশক্তি হওয়ার কারণে এর ধ্বংসাত্মক শক্তি আরো বৃদ্ধি পায়।এর উচ্চতা ১৫কিমি পর্যন্ত হতে পারে এবং টার্মিনাল উচ্চতা ১০ মিটার পর্যন্ত কম।ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০ থেকে ৩৯০ কেজি ওজনের একটি প্রচলিত ওয়ারহেড বহন করে।ব্রহ্মোস এনজি (নেক্সট জেনারেশনের) বিদ্যমান ব্রহ্মোস এর উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি মিনি সংস্করণ। যার ২৯০ কিমি পরিসীমা এবং সর্বোচ্চ ৩.৫ গতি হবে কিন্তু এটি প্রায় ১.৫ টন, ৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫০ সেন্টিমিটার ব্যাস,ব্রহ্মোস এনজি এমনভাবে তৈরি করা হবে ৫০ শতকরা হালকা এবং তার পূর্বের ব্যাচের চেয়ে ৩ মিটার ছোট।