এবার কুকুর বিড়ালদের শেষকৃত্যের জন্য তৈরি হচ্ছে শ্মশান , থাকবে পুরোহিতও

কুকুর প্রভুবক্ত জীব৷ মানুষের মতই সে তার প্রভুকে ভালোবাসে৷ আর কুকুরের প্রতি মানুষের ভালোবাসার কথা সকলের জানা। কুকুর বাড়ির পোষ্য হলেও বাড়ির সদস্য হয়ে ওঠে থাকতে থাকতে৷ তাই দক্ষিণ দিল্লি পৌরসভা বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে৷ মানুষ ও কুকুরের এই বন্ডিংকে স্বীকৃতি দিয়ে কুকুরদের শেষকৃত্যের জন্য দক্ষিণ দিল্লি পুরসভা তৈরি করতে চলেছে শ্মশান। পোষ্যের দেহ পোড়ানোর পর ১৫ দিন পর্যন্ত তার ছাই সংরক্ষণ করা হবে। যাতে সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়৷

দিল্লির দ্বারকা এলাকায় ৭০০ বর্গ মিটার জায়গা জুড়ে এই শ্মশান তৈরি করা হবে। জানা যাচ্ছে, দ্রুত কাজ শুরু হবে। দক্ষিণ দিল্লির পৌরসভার এক আধিকারিক জানান, এই প্রজেক্টের কাজ পাবলিক ও প্রাইভেট পার্টনারশিপে হবে। অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল। খুব তাড়াতাড়িই টেন্ডার ডাকা হবে।

 

করোনার সঠিক পূর্বাভাস দেওয়া বাবা ভেঙ্গা জানালেন ২০২১ সাল হতে চলেছে আরো ভয়াবহ

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুরসভার এক আধিকারিক জানান, পরিবারের কেউ চলে গেলে যে কষ্টটা হয়, পোষ্য মারা গেলেও সেই কষ্ট হয়৷ তাই শুধু শ্মশানই নয়, শ্মশানে পুরোহিত রাখার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে, রীতি মেনে যাতে পোষ্যকে শেষ বিদায় জানাতে পারে তার প্রিয়জন। শুধু কুকুর নয়,বিড়ালদেরও শেষকৃত্যের কাজ করা যাবে। ১৫০ কেজির একটি ও ১০০ কেজির জন্য একটি চুল্লি তৈরি করা হবে। মৃত কুকুর-বিড়াল আনার জন্য গাড়ির ব্যবস্থাও করা হবে।

পৌরসভার তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ কেজি পর্যন্ত কুকুরের শেষকৃত্যের জন্য ২০০০ টাকা লাগবে। তার বেশি ওজন হলে ৩০০০ টাকা। তবে,দক্ষিণ দিল্লির রাস্তার কুকুরদের বিনামূল্যেই শেষকৃত্য করা হবে। কিন্তু দক্ষিণ দিল্লির বাইরে রাস্তার কুকুর বিড়ালদের শেষকৃত্যের জন্য ৫০০ টাকা খরচ হবে।