করোনার ভ্যাকসিন হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য রেডি, তবে জনসাধারণের জন্য পুরোপুরিভাবে বাজারে আসতে 2021 সাল পর্যন্ত লেগে যাবে…

ভারতে করোনা সংক্রমণ যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করোনার ভ্যাকসিন না বের করতে পারলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাবে বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আর এমনই এক সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য নিয়ে এল আইসিএমআর। সোমবার আইসিএমআর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করোনার ভ্যাকসিন হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য পুরোপুরি তৈরি।এমনিতেই এখন করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে নানান বিতর্কিত তথ্য উঠে আসছে।

কয়েকদিন ধরেই বিতর্কিত তথ্য উঠে আসছিল যে, আগামী মাসের 15 তারিখে অর্থাৎ 15 ই আগস্টে করোনার ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়া হবে। কিন্তু এই সমস্ত বিতর্ক কে মিথ্যে প্রমাণ করে জানা গিয়েছে করানোর ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাক্সিন’ 15 আগস্ট নয় এটি সাধারণ মানুষের জন্য আসতে 2021 সাল পর্যন্ত লেগে যাবে। যদিও প্রথমে 15 ই আগস্ট জনসাধারণের জন্য এই ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়া হবে বলে ঘোষণা করে আইসিএমআর। এরপর আবার আইসিএমআর ঘোষণা করে 2021 সাল পর্যন্ত লেগে যাবে করোনার ভ্যাকসিন বাজারে আসতে। ফলে এই নিয়ে বিতর্ক আরও বেড়ে যায়।

এই ভ্যাকসিন দেশের দুটি সংস্থা ইতিমধ্যেই তৈরী করে ফেলেছে বলে দাবি জানিয়েছে। সম্প্রতি এই দুই সংস্থাকে রাগ কন্ট্রোলার অফ ইন্ডিয়া তরফ থেকে মানবদেহে পরীক্ষা করে দেখার জন্য অনুমতি দিয়েছে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, যদি তাড়াহুড়ো করে বাজারে ভ্যাকসিন আনা হয় তাহলে এর পরিণাম অনেক মারাত্মক হতে পারে। তাই ভালোভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পুরো 100% নিশ্চিত হওয়ার পরে বাজারে ভ্যাকসিন ছাড়া হবে। ধাপে ধাপে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে তার কার্যকারিতা দেখে এই ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়া সকলের জন্য ছাড়া উচিত।

এছাড়া বিজ্ঞান মন্ত্রকও করোনার ভ্যাকসিন 15 আগস্ট বাজারে আনার দাবি কে সম্পূর্ণরূপে খারিজ করে দিয়েছে। বিজ্ঞান মন্ত্রকের কর্তারা জানিয়েছেন যে 2021 এর আগে করোনার ভ্যাকসিন কে কোনো ভাবেই বাজারে আনা হবে না। জানা গিয়েছে প্রথম ধাপে 1000 জন করোনা আক্রান্ত রোগীর ওপর এই ভ্যাক্সিনটি পরীক্ষা করা হবে। এরপর 6 সপ্তাহ অপেক্ষা করা হবে। আবার দ্বিতীয় ধাপে ভ্যাক্সিনটির পরীক্ষা হবে।