বিশ্বের প্রথম ফ্লোটিং সিটি, জলের উপর দাঁড়িয়ে একটা গোটা আস্ত শহর

মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখলে নীল রঙের দেখায় এর কারণেই পৃথিবীকে নীল গ্রহ বলা হয়। যদিও নীল দেখানোর কারণ হলো জল। পৃথিবী হলো একমাত্র জলের গ্রহ, যেখানে তিন ভাগ জল এবং এক ভাগ স্থল। সেই এক ভাগ স্থলও গোটা বিশ্বের জনসাধারণের কাছে কম হয়ে যাচ্ছে, মানুষের বাসস্থান দিনের-পর-দিন এতটাই বেড়ে চলেছে যে এবারে নতুন করে নিজেদের বাসস্থান বানানোর জন্য বেছে নিচ্ছে জলভাগকে। হ্যাঁ সত্যি জলের ওপরে বানানো হচ্ছে বাসস্থান, যেটা পৃথিবীতে প্রথম হতে চলেছে। এমন একটি শহর যেটা তৈরি হবে জলের ওপরে।

এই গোটা ব্যাপারটি অবাক করা হলেও সত্যি ঘটছে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে। জলের ওপর তৈরি করা হচ্ছে একটি শহর যা ইতিমধ্যেই তৈরি করা শুরু হয়ে গেছে। তবে সকলেরই মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কেন হঠাৎ জলের ওপরে এরকম শহর তৈরি করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে?

সমস্ত প্রশ্নের উত্তরই হল হল স্থলভাগের পরিমাণ দিনের পর দিন কমে যাওয়া। বর্তমানে জনসংখ্যা এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে স্থলভাগের পরিমাণ কমে যাচ্ছে যার কারণেই জলের ওপরে তৈরি করা হচ্ছে শহর। একদিকে যদি জল জায়গা বন্ধ করে তার ওপর শহর করা হয় তবে সে ক্ষেত্রে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, কিন্তু সেই ক্ষেত্রে সমস্ত কিছু বজায় রেখে এই জলের উপরে তৈরি করা হচ্ছে শহর।

জানা গিয়েছে এই গোটা প্রজেক্টের নাম ওশিয়ানিয়ক্স। যেটি ২০২৫ সালে জনগণের কাছে বাসযোগ্য হবে। এই শহরটি তৈরি করতে মোট খরচ হতে চলেছে ২০০ মিলিয়ন ডলার। ঘরটির ক্ষেত্রফল ১৫.৫ একরের মতো। জলের উপর ভাসমান এই শহরের বিল্ডিংগুলোকে রাখা হবে ৭ তলার কাছাকাছি।

গোটা শহরটি তৈরি করা হবে চুনাপাথর দিয়ে। এই নতুন শহরটিতে বাস করতে পারবেন মাত্র ১ লক্ষ মানুষ যদিও ইতিমধ্যে শহরটিতে বাসযোগ্য করার মানুষ হবে ১২ হাজারের কাছাকাছি।