আরো এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার, সকল সরকারি কর্মচারীদের জন্য দেশেই তৈরি করতে চলেছে মেসেজিং অ্যাপ…

মোবাইল ফোন আসার কারণে চিঠির অস্তিত্ব বহুদিন আগেই চলে গেছে। বর্তমান দিনে মানুষ হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে ম্যাসেজ, ভিডিও কলিং সমস্ত কিছু সেরে নিচ্ছে। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় হোয়াটসঅ্যাপ অন্য একটি পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আর এবার হোয়াটসঅ্যাপের মতনই ভারত নিজস্ব চ্যাটিং সাইট খোলার পথে এগোচ্ছে। কিন্তু এখন এই নতুন চ্যাটিং সাইট নিয়ে নানান ধরনের প্রশ্ন উঠে আসছে যেগুলি আমরা নিচে আলোচনা করব–

1. ভারতের এই চ্যাটিং সাইটের হঠাৎ প্রয়োজন পড়লো কেন –
আমরা দেখেছি হোয়াটসঅ্যাপের মত চ্যাটিং সাইট বহু ক্ষেত্রেই অফিসের কাজে অথবা দপ্তরের কাজে সবাই ব্যবহার করে থাকেন। তাই সে ক্ষেত্রে নথি চুরির একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। সম্প্রতি কয়েক দিন আগে অ্যামাজন প্রধানের ফোন হ্যাক করার খবর আমরা শুনে এসেছি। তাই দপ্তরের নথি যাতে সুরক্ষিত থাকে তাই ভারত সরকার এই নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

2. এই অ্যাপ এ কি কি ফিচার থাকতে চলেছে?
সরকারি খবর সূত্রে জানা গিয়েছে একাধিক ভাষায় এই অ্যাপের মাধ্যমে কথাবার্তা হতে পারে। মোট 11 টি স্থানীয় ভাষায় এই অ্যাপের মাধ্যমে আমরা কথাবার্তা বলতে পারবো। সঙ্গে ইংরেজি এবং হিন্দি তো থাকছেই।  হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হ্যাকাররা যে তথ্য চুরি করে নিচ্ছে সেটি রুখতে ভারত সরকারের এমন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। এও জানা গিয়েছে ওড়িশা এবং গুজরাটে এই অ্যাপের বেটা টেস্টিং এর জন্য অংশ নিচ্ছে।

3. সরকার কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে চলেছে?
কেন্দ্রের তরফ থেকে ইলেকট্রনিক্স এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি দফতর সরকারের তরফে এমন অ্যাপ তৈরি করতে চলেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এবং ভারত সরকার নিজের জন্য ‘গভরমেন্ট ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সার্ভিস’ বলে এই নতুন অ্যাপটি আনতে চলেছে। এই বছরের মধ্যেই এই প্রকল্প শুরু হতে চলেছে বলে খবর আসছে। শুধু তাই নয় এই অ্যাপ এর উপর পাইলট প্রজেক্ট চালু হয়ে গেছে।
4. সরকারি কর্মচারী ছাড়া আর কাদের জন্য এই জিআইএমএস লাগু হতে চলেছে?

আপনাদের জানিয়ে দিই এই অ্যাপটি শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য নয়,রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য নয়া চ্যাট প্ল্যাটফর্ম শুরু হবে। এই  জিআইএমএস হলো এক ধরনের ইউনিফাইড মেসেজিং প্লাটফর্ম। এবং এটি তৈরি করার পেছনে সম্পূর্ণ ক্রেডিট রয়েছে ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের । এই সংস্থাটি সরকারি দপ্তরের জন্য ইমেইল সার্ভিস তৈরি করে।

5. তবে এখন প্রশ্ন কোন কোন মোবাইলের জন্য এই অ্যাপ্লিকেশনটি তৈরি হয়েছে?
এই অ্যাপ্লিকেশনটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস উভয় ধরনের ফোনের জন্য চালু করা হবে। বিদেশমন্ত্রক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকক, সিবিআই সহ একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

Related Articles

Close