এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় খবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দরবারে হাজির মুকুল রায়। কারণ জেনে আপনিও চমকে….

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়িতে টোকা মারলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। জানা গিয়েছে যে রথযাত্রা নিয়ে আলোচনা করার জন্য এমন কাজ করলেন উনি। শনিবার বিকেল নাগাদ রাজ্যের সচিবালয় অর্থাৎ নবান্নে পৌঁছে যান বিজেপি নেতা মুকুল রায় সহ তার দলের অন্যান্য নেতানেত্রীরা। রাজ্য সরকার সূত্রে যে খবর পাওয়া গিয়েছে তা হল, রথযাত্রা নিয়ে নতুন করে সমস্ত কাগজপত্র জমা করবার জন্য মুকুল রায় এবং তার দল এর সমস্ত লোকেরা মলয় দে যিনি মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিব অত্রি ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করবেন।এই দিন মুকুল রায়ের সঙ্গে হাজির ছিলেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এবং আর এক বিজেপি নেতা সঞ্জয় সিংহ। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে রাখি, কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ রথ যাত্রার ওপর স্থগিতাদেশ তুলে দিয়ে, যাতে বিজেপির সাথে তৃণমূল এক টেবিলে বসে এই ব্যাপারে আলোচনা করেন তারই নির্দেশ দিয়েছেন।

মুকুল রায় ২০১৭ সালে ৩ ই  নভেম্বর তৃণমূল দল ত্যাগ করেছিলেন। তারপর এই প্রথমবার তিনি নবান্নে পা রাখলেন। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকে তিনি বহুবার শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। নানান কথা বলেছেন শাসকদলের বিরুদ্ধে। তাই মুকুল বাবুকে গদ্দার বলতেও পিছুপা হননি তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতানেত্রী। এবার আমাদের রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে অনেক তালমাতাল দেখা গিয়েছে, কিন্তু তা সত্বেও বিজেপি এ কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ৭০০০ সিটে জয়লাভ করেছে। এর কৃত্বিত্ব যে অনেকটাই মুকুল রায় এর সেটা মেনে নিয়েছেন রাজ্য বিজেপি।

তবে রাজ্য বিজেপি থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী মুকুল রায় এই রথযাত্রা নিয়ে ধীরে চল নীতিতে বিশ্বাস করেন। আদালত যে রায় দিয়েছেন সেটাকে পূর্ন সম্মান জানিয়ে তিনি ধীরে ধীরে নিজের গুটি সাজাতে চান।মুকুল রায় সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা শনিবার নবান্নে প্রবেশ করেন পিছন দিকের গেট দিয়ে। এরপর তারা পুলিশ কর্মীদের কাছে পারমিশন নেন এবং চলে যান নবান্নের ১৩ তলায়। সেখানে গিয়ে বিজেপি নেতাকর্মীরা নিজেদের সমস্ত বক্তব্য লিখে একটি চিঠি পেশ করেন, এবং সেই চিঠির রিসিভ কপি নিয়ে চলে আসেন। পরে তারা সাংবাদিকদের জানান যে রাজ্য সরকারের সাথে রথযাত্রা নিয়ে সমস্ত রকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত রাজ্য বিজেপি।

#অগ্নিপুত্র