Categories
নতুন খবর বিশেষ লাইফ স্টাইল

বড় খবরঃ করোনা সংকটের মধ্যেই 40,000 নতুন কর্মী নিয়োগ করতে চলেছে TCS, তাই দেরি না করে..

করোনা আবহে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস (টিসিএস) । TCS পরিকল্পনা করছে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে মোট 40,000 জনকে নিয়োগ করতে চলেছে তাদের সংস্থা তে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, গত বছরেও এই সংস্থাটি প্রায় 40 হাজারের কাছাকাছি কর্মী নিয়োগ করেছিল। সম্প্রতি করোনা সংকটের জন্য সমস্ত বেসরকারি সংস্থাগুলো ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাই এখন সমস্ত বেসরকারি সংস্থাগুলো তাদের কর্মী নিয়োগ আপাতত স্থগিত রেখেছে। কিন্তু ব্যতিক্রম হিসেবে এই সংস্থা এই সময়েও কর্মী নিয়োগের কথা ভাবছে।

মূলত টিসিএস এর মূল লক্ষ্য রয়েছে ইউএস ক্যাম্পাসে কর্মী সংখ্যা দ্বিগুণ করতে। দ্বিগুণ করার জন্য সেই ক্যাম্পাসে কমপক্ষে দুই হাজার জন কর্মী নিয়োগ করতে হবে বলে জানিয়েছে সংস্থা। এই সম্পর্কে টিসিএস সংস্থার সিইও রাজেশ গোপীনাথ জানিয়েছেন যে, তাদের সংস্থা সমস্ত দিক মাথায় রেখেই বেছে বেছে সেই সমস্ত জায়গায় কর্মী নিয়োগ করছে। এছাড়াও কর্মী নিয়োগ করার ব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন যে, করোনা সংকটের জন্য এতদিন কর্মী নিয়োগ করার প্রক্রিয়া আটকে ছিল। কিন্তু এবার এই প্রক্রিয়া আবার চালু করছি আমরা। সম্প্রতি তাদের এপ্রিল থেকে জুন মাসে 13 শতাংশ মুনাফা কমে হয়ে গিয়েছিল 7049 কোটি টাকা।

শুধুমাত্র টিসিএস নয় এছাড়াও উইপ্রো, কগনিজেন্ট, ক্যাপজেমিনির মতোন সংস্থাগুলো গত বছরের মতো এ বছরও ক্যাম্পাস থেকে নতুন কর্মী নিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সম্প্রতি fastnokri.com এর তরফ থেকে করা একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে এই করোনা ভাইরাসের জন্য সারা দেশজুড়ে প্রায় 82 শতাংশ কলেজে ক্যাম্পাস থেকে নিয়োগ করার প্রক্রিয়াতে বাধা পড়েছে। এই সমীক্ষায় আরেকটি তথ্য উঠে এসেছে যে, যে সমস্ত পড়ুয়াদের কাজে যোগ দেওয়ার জন্য অফার করা হয়েছে তাদের মধ্যে 44 শতাংশ পড়ুয়াদের কাজে যোগ দেওয়ার দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং 9 শতাংশ জানিয়েছে যে সংস্থাগুলি এ বিষয়ে পিছিয়ে গেছে।

আর 33 শতাংশের বক্তব্য যে নিয়োগকারী সংস্থাগুলি এ বিষয়ে কোনো কথাই বলে নি। সম্প্রতি করোনা আবহে যেখানে কর্মী ছাঁটাই করার খবর শোনা যাচ্ছিল সেখানে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম সফটওয়্যার এক্সপোর্ট কোম্পানি টিসিএস জানিয়েছে যে, 4.5 লক্ষ্য কর্মীদের মধ্যে তারা কাউকেই ছাঁটাই করবে না। তবে এ বছরে কোনভাবেই বেতন বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা থাকছে না বলে জানিয়ে দিয়েছে এই সংস্থা। এ বিষয়ে সংস্থার সিইও রাজীব গোপীনাথ জানিয়েছেন যে, যাদেরকে কাজের জন্য অফার করা হয়েছিল তাদের প্রত্যেককেই কাজে নেওয়া হবে। কোনরকম ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি সংস্থার তরফ থেকে। সাধারণত কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি জুন মাস পর্যন্ত চলে। তার পরেই সেখান থেকে ক্যাম্পাস করে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়োগ করা হয়।