নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে বেরিয়ে এল বড় খবর! বাড়ানো হল ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়সীমা কে..

নির্বাচন কমিশনারের তরফ থেকে ভোটার তালিকাকে নির্ভুল করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে গত 1-ই সেপ্টেম্বর- 2019 থেকে। এখানে বলা হয়েছে গত 1 সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর 15 তারিখ পর্যন্ত প্রতেকে নির্বাচক ন্যাশনাল ভোটার সার্ভিস পোর্টাল লগইন করে নির্বাচন তালিকায় নিজের ও নিজের পরিবারের সকল ভোটারদের নাম তালিকাভুক্ত করাতেই হবে। আর তারপরে ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন করা কে নিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তা শেষ ছিল না।

সকলের মাথায় একটাই চিন্তা ঘুরে বেড়াচ্ছিল কি করে এত কম সময়ের মধ্যে সকলেই তাদের ভোটার কার্ড নির্ভুল ভাবে সম্পন্ন করাতে পারবে। আর এখন এরই মধ্যে আরেকটা স্বস্তির খবর এলো নির্বাচন কমিশনারের তরফ থেকে।এখন নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এই ভোটার কার্ড সংশোধনের সময়সীমা কে আরো 33 দিন বাড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা করে দেওয়া হল। অর্থাৎ এবার 16 অক্টোবরের পরিবর্তে নির্বাচন কমিশনের ইলেকটর্স ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম (ELECTORAL VERIFICATION PROGRAM) বা ইভিপি (EVP) চলবে 18 ই নভেম্বর পর্যন্ত।
রাজ্যের 37% মানুষই এখন পর্যন্ত এই ভোটার তালিকায় তাদের নাম সংশোধন করতে পেরেছেন। যার কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে দুর্বল পরিকাঠামোর কারণে এখনও পর্যন্ত হয়ে উঠতে পারেনি সকল মানুষের ভেরিফিকেশন বলে সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল সময়। কমিশন সূত্রে আরো জানতে পারা গেছে আগামী 25 নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে সংশোধনী কাজ শুরু করা হবে যেটা চলবে আগামী 24 ডিসেম্বর পর্যন্ত।তবে এখন আরো একটি সমস্যা দেখা মিলছে এতে এটি হলো অনলাইনে দুর্বল নেটওয়ার্ক।

কীভাবে করে নিতে পারবেন এই ভোটার কার্ডের তালিকার সংশোধন তা নীচে দেওয়া হল… ‘Voter Helpline’ নামক এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনি “প্লে স্টোর” থেকেই ডাউনলোড করতে পারবেন খুব সহজেই। অবশ্যই এই অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করার আগে দেখে নেবেন এই অ্যাপ্লিকেশনটি নির্বাচন কমিশনার দ্বারা প্রস্তুত কিনা তা না হলে আপনি বড় বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন। অন্য কোন সংস্থার দ্বারা পরিচালিত হলে এই অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে আপনার প্রতারণা সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।আর যদি এই এপ্লিকেশনটি আপনার আগের থেকে ডাউনলোড করা থাকে তাহলে অবশ্যই অ্যাপ্লিকেশন যাচাই করে আপডেট করে নেবেন।অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে ওপেন করার সময় প্রথমেই দেখতে পাবেন ইভিএম (EVM) নামক একটি ট্যাব রয়েছে।

এখানে ক্লিক করলে আপনি পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছে যাবেন যেখানে লেখা থাকবে এলেক্টরাল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম (ELECTORAL VERIFICATION PROGRAM)। তারপর এখানে কয়েকটি অপশন দেওয়া হবে যেগুলিকে আপনাকে এলাও (ALLOW)  করতে হবে। তারপরে আবার একটি অন্য স্ক্রিন খুলে যাবে সেখানে আপনার মোবাইল নম্বর দিতে হবে তবে মাথায় রাখবেন যে মোবাইল নম্বরটি আপনি দিবেন সেটি যাতে সক্রিয় থাকে এবং আপনি ভোটার আইডির সাথে সংযুক্ত করতে চাইছেন সেরকমই মোবাইল নম্বর।

তার পরবর্তী পর্যায় আপনাকে সেন্ড ওটিপি নামক একটি অপশন দেওয়া হবে যেখানে ক্লিক করে আপনি আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি সেন্ড করবেন।তারপর এই OTP এর মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইলটির সাহায্যে লগইন করুন।এর পরবর্তী স্টেজে আপনাদের দেওয়া হবে একটি এপিক নাম্বার যেখানে আপনার ভোটার তথ্য খোঁজার জায়গা থাকবে। আর এই ইপিক তথ্যের মাধ্যমে খুঁজে নিন আপনার ভোটার তথ্য।আপনার ভোটার তথ্য খুঁজে পেয়ে গেলে আপনি সেখানে দেখতে পাবেন একটি অপশন দেওয়া হচ্ছে যেখানে লেখা আছে it’s me। এর পরবর্তী পর্যায় আপনি পাবেন মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন অপশন যেখানে আপনি আপনার মোবাইল নম্বরটি দিয়ে ভোটার কার্ডের এপিক নম্বরে সাথে সংযুক্ত করার জন্য হ্যা কিংবা না করতে পারেন।

হ্যাঁ অপশনের মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল নম্বরের সাথে এপিক নম্বরটিতে সংযুক্ত করতে পারেন।আর তারপরই ওকে অপশনটি ক্লিক করার পর আপনি আপনার ছবিসহ ভোটার আইডি কার্ড দেখতে পাবেন যেখানে আপনার নিজস্ব নাম, বাবার নাম, জন্ম তারিখ, নিজস্ব ছবি প্রায় সবকিছুই এডিট করার অপশন পেয়ে যাবেন। আর এই অপশনে যেতে গেলে আপনাকে মডিফাই (MODIFY) অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। আর তারপরই এখানে আপনি অপশনটি এডিট করার পর সাপোটের ডকুমেন্ট আপলোড করতে পারবেন এখানে আপনি আপনার নিজের ক্যামেরায় তোলা ডকুমেন্টের ছবি তুলে আপলোড করার সুযোগ পাবেন।

শুধু তাই নয় এর পরবর্তী পর্যায়ে আপনার জিপিএস এর মাধ্যমে আপনার বর্তমান ঠিকানা নিজে থেকেই সংগ্রহ করতে পারবে ইলেকশন কমিশনার দপ্তর। আর এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ইলেকশন কমিশন এই অ্যাপ্লিকেশনটিতে যা যা পারমিশন চাইবে সেসব গুলিতে আপনাকে সম্মতি দিতে হবে।

Related Articles

Close