বিজেপির বড় ঘোষণা এবারে শিবসেনা ছাড়াই লড়বে মহারাষ্ট্র থেকে বিজেপি।

লোকসভা ভোট যত দ্রুত এগিয়ে আসছে ততোই রাজনৈতিক দলগুলি নিজেকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে ধাপে ধাপে এগিয়ে চলেছে। কিন্তু এবার মহারাষ্টের বিধানসভা ও লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে এক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। যেখানে কিছুদিন আগে মহারাষ্ট্রে শিবসেনাকে নিয়েই ভারতীয় জনতা পার্টি জোট তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল,  সেখানে শিবসেনার পক্ষ থেকে বিশেষ ভাবে কিছু আগ্রহ না দেখতে পাওয়ায় বিজেপির সভাপতি মাননীয় অমিত শাহ এবার দলকে শিবসেনা ছাড়ায় এগোনোর সিদ্ধান্ত নিলেন।

লোকসভা ভোটের আগেই অমিত শাহ এর সাথে অন্যান্য রাজ্যের এমপি দের মিটিং করার কথা, এবং নিউ দিল্লির মহারাষ্ট্র সদনের এক মিটিংয়ে এমপিদের অমিত সাহ পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন,  শিবসেনার মতামতের অপেক্ষা না করেই ,বিজেপির রথের গাড়িকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ইতিমধ্যেই, তিনি এমপি দের নির্বাচনের জন্য  প্রস্তুতির নেওয়ার কথাও বললেন। গত বুধবার নিউ দিল্লি তে মহারাষ্ট্রের সদনের জন্য মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। শুধু তাই নয় এই মিটিংয়ে অমিত শাহ জোট ছাড়াই লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি করনের কথাও বলেন, এবং এমপিদের নিজে নিজের ভোট ক্ষেত্রের ভোটারদের সাথে কথা বলার জন্য নির্দেশ দিলেন ।

আগতর লোকসভা নির্বাচনে ধানগড় কমিটির সংরক্ষণ সংক্রান্ত সমস্যা বিজেপির জন্য ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়াতে পারে এমনটাই মনে করছেন এমপিরা।  সিট বিভাজন নিয়ে শিবসেনা অনেকটাই সফল হয়েছে এছাড়াও রাম মন্দির সম্পর্কিত বিতর্ক তো রয়েছেই। যদিও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন,” যতক্ষণ না আইনি সমস্যার সমাধান হয়, ততক্ষণ রাম মন্দির নয়”। এই প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে শিবসেনা আবার মোদির বক্তব্যের কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন।

শিবসেনা কটাক্ষ করে বলেছেন, ” বর্তমানে বিজেপি সরকার এ যদি রাম মন্দির না হয় তাহলে আর কখন হবে। যদি ২১০৯ এর লোকসভা ভোটের আগে রাম মন্দির না তৈরি করা হয় তাহলে এটা জনগণেরকে প্রতারণা করা হবে । এবং তার স্বরূপ জনসাধারনের কাছে বি জে পি ও আর এস এস কে ক্ষমা চাওয়া উচিত “, এমনটাই তিনি জানিয়েছেন। এছাড়াও শিবসেনার মন্তব্য,” মোদী যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তার সব থেকে বড় হাতিয়ার ছিল রাম। তাহলে এই রাম রাজ্যে কি রাম মন্দির তৈরি করা হবে না! আবার শেষমেশ মোদি নিজেই বলছেন, রাম আইনের থেকে বড় নন।”