সেনা প্রমুখ দেখিয়ে দিলেন কংগ্রেসের আসল চেহারা।এখন কংগ্রেসের পক্ষে নির্বাচন জয়লাভ করা কঠিন হবে..

কংগ্রেস যেকোনো মুহূর্তেই বিজেপিকে অপদস্ত করার কোনো সুযোগ ছাড়ে না। এমনটাও বলা হয় যে, কংগ্রেস দলের আধিকারিকরা দেশের সুরক্ষার ব্যাপারেও বিরোধিতা করতে পিছু হাটে না।উদাহরণস্বরূপ, আপনারা রাফায়েল এর বিমান চুক্তি কেই ধরে নিন। আমাদের দেশের মোদি সরকার ভারতের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করার জন্য ভারতের বায়ুসেনার জন্য অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে বিকশিত রাইফেল বিমান কেনার জন্য ফ্রান্সের সাথে একটি চুক্তি করেন , কংগ্রেস ভাবলেন এতে হয়তো মোদীর কোনো কারসাজি রয়েছে এবং পুরো দেশে কংগ্রেস এই চুক্তিটির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বিরোধের সূচনা করেছে ।


কংগ্রেসের আশার উপর সেই মুহূর্তে ধাক্কা লাগলো যখন সর্বোচ্চ আদালত মোদি সরকারকে ছাড়পত্র দিয়ে বলেছে , রাইফেল চুক্তিতে কোনরকম গড়বড় হয়নি আর এটা নিয়ে বিতর্ক করা পুরোপুরি ব্যর্থ।অপরদিকে দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দেখে মোদি সরকার রাইফেল বিমানের পদ্ধতি আর এই চুক্তিটিকে সর্বজনীন করার জন্য পুরো চেষ্টা করছে, কিন্তু কংগ্রেস এই বিষয়টিকে পুনরায় সবার সামনে খুলে আনার জন্য নিজের জিদে রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পর এবার প্রমুখ বায়ুসেনা কংগ্রেসকে চেতাবনি দিয়ে দ্বিতীয় ধাক্কা দিল ।গত কয়েকদিন আগে বায়ুসেনার প্রমুখ জানিয়ে দেন, ভারতের ওপর যেসব দেশের চোখ রয়েছে তারা নানারকম আধুনিক প্রযুক্তির হাতিয়ার নিজের দেশে আনতে চলেছে আর সেখানেই আমাদের দেশে রাফায়েল কে নিয়ে নানারকম বিতর্ক করা হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশের উদাহরণ দিয়ে বায়ুসেনার প্রমুখ বি.এস ধনোবা বললেন, পাকিস্তান চীনের সঙ্গে মিলিত হয়ে নিজের দেশের সেনার জন্য ফাইটার জেট তৈরি করার কাজে লেগে পড়েছে , আর সে জায়গায় আমাদের দেশে রফেলের মত উচ্চ মানের বিমানকে ভারতে নিয়ে আসার জন্যও বিবাদ চলছে।বায়ু সেনা প্রধান বিএস ধনোবা সাবধানতার বাক্যে বললেন , এই বিতর্কে লাভ প্রতিবেশী দেশগুলো উঠাচ্ছে এবং আমাদের দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার জন্য আমাদের একটা কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে নাহলে এতে ক্ষতি আমাদেরই হবে। এই বিষয় নিয়ে অনেক রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য , যে বায়ুসেনা প্রমুখের এই কথাগুলো বলায় কংগ্রেসের প্রতিচ্ছবি খারাপ হতে পারে আর সরাসরি ভাবে এর লাভ বিজেপি দলের।