কেন্দ্রের পক্ষেই রায় সুপ্রিম কোর্টের, বিপাকে পড়তে চলেছে Airtel,Vi টেলিকম সংস্থা

দীর্ঘ টানাটানির পর অবশেষে প্রমাণ হয়ে গেল কেন্দ্রের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের গণনায় কোন ভুল ছিল না। স্পেক্ট্রাম ও লাইসেন্স ফি বাবদ বকেয়া নিয়ে কেন্দ্রের পক্ষেই রায় দিলেন উচ্চ আদালত। এর ফলে বড়োসড়ো বিপাকে পড়তে চলেছে ভারতের প্রথম সারির বেশকিছু টেলিকম সংস্থা। যার মধ্যে অন্যতম ভারতীয় এয়ারটেল, ভোডাফোন -আইডিয়া বা টাটা টেলিসার্ভিস এর মত সংস্থাগুলি। এবার কেন্দ্রের হিসাবমতো বকেয়া কর দিতে হবে এই টেলিকম সংস্থাগুলিকে।

এদিন টেলিকম সংস্থাগুলির সংশোধিত হিসাব যা উচ্চ আদালতে জমা দিয়েছিলেন, তা এক প্রকার খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত এই তিনটি টেলিকম সংস্থার কাছ থেকে এডজাস্ট গ্রস রেভিনিউ বাবদ প্রায় ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি কোটি টাকা পায় কেন্দ্র।ভোডাফোন -আইডিয়া, ভারতী এয়ারটেল ও টাটা টেলিসার্ভিস এর মত টেলিকম সংস্থাগুলির কাছ থেকে এই ব্যাপক পরিমাণ অর্থ বকেয়া রয়েছে। একসময় ভোডাফোনের কাছে এডজাস্ট গ্রস রেভিনিউ বাবদ বকেয়া ছিল প্রায় ৫৮ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা।Airtel vi

এরমধ্যে মাত্র ৭ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র কে দিয়েছে ভোডাফোন। অন্যদিকে ভারতী এয়ারটেলের বকেয়া পরিমাণ প্রায় ৪৩ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা তাদের মধ্যে এখনো ২৫ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা বাকি রয়েছে । অন্যদিকে আবার টাটা টেলিসার্ভিস কে দিতে হবে ১৬ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ টাকা এককালীন যদি কেন্দ্রকে মিটিয়ে দিতে হয় তাহলে এক প্রকার পথে বসতে হবে এই তিন টেলিকম সংস্থাকে। তবে এই বিপদের হাত থেকে সংস্থাগুলিকে গত সেপ্টেম্বরেই মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

Airtel vi

তাদের এডজাস্ট গ্রস রেভিনিউ মিটিয়ে দেওয়ার জন্য ১০ বছরের সময় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। যার প্রথম কিস্তি মেটানোর সময়সীমা ছিল ১ মার্চ ২০২১। মোট বকেয়ার ১০ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হতো সংস্থাগুলিকে। কিন্তু এই তিন সংস্থার দাবি ছিল কেন্দ্রের টেলিকম বিভাগের গণনায় ভুল রয়েছে। তাদের বকেয়ার পরিমাণ এত বেশি হতে পারে না। তবে গত শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় যে কেন্দ্রের গণনা করা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ মেটাতে হবে টেলিকম সংস্থাগুলিকে। DOT এর হিসাবে কোন গরমিল নেই। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় টেলিকম সংস্থাগুলির পক্ষে বড়সড় ধাক্কা বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।