কোন বড় মঞ্চে নয় বরং রাস্তায় ছদ্মবেশে গান গেয়ে ভিক্ষে করলেন কুমার গৌরব, আর তারপর

স্টার জলসার জনপ্রিয় গানের রিয়ালিটি শো সুপার সিঙ্গার। এই অনুষ্ঠানের মঞ্চে আমরা ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছি নামিদামি গায়ক গায়িকাকে। দেখতে দেখতে তিন নম্বর সিজনে পা দিয়ে দিয়েছে এই রিয়েলিটি শো। অনুষ্ঠানে বিচারকের ভূমিকা আমরা দেখতে পাই কুমার শানু, কৌশিকী চক্রবর্তী, সনু নিগমকে। গোটা বাংলা থেকে শিল্পীদের বেছে নেওয়া হয় এই যুদ্ধে লড়াইতে।

এতকিছুর পরেও এই রিয়েলিটি শোয়ের টিআরপি সেই ভাবে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছাতে পারেনি। তাই এবার এই অনুষ্ঠানে জনপ্রিয়তা বাড়াতে একটি অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হল। কি সেই পন্থা? ছদ্মবেশে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গান গেয়ে মানুষের মন জিততে হবে সমস্ত প্রতিযোগীদের। অর্থাৎ জাঁকজমক ভরা মঞ্চ নয়, ধুলোয় ভরা রাস্তায় সকলের সামনে গান গেয়ে সকলের মন জয় করতে হবে।

এই চ্যালেঞ্জ পূরণ করতে গিয়ে এবার প্রতিযোগীগণ নেমে পড়লেন রাস্তায়। কেউ বাউল সেজে কেউ আবার ফকির সেজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গান গাইতে শুরু করে দিলেন। তবে সকলকে চমকে দিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অনেকটাই এগিয়ে গেলেন গৌরব। সাধুবাবার ছদ্মবেশে নিজেকে পুরোটাই পাল্টে ফেলেন তিনি।গৌরবকে চেনা একপ্রকার অসম্ভব ছিল। রাস্তায় সাধুর বেশে তাঁর কপালে ছিল চন্দনের তিলক কাটা, লাল বস্ত্র এবং গলায় রুদ্রাক্ষের মালা।

ভিক্টোরিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে গিটার বাজিয়ে গান করেছিলেন তিনি। গৌরবের গলায় গান শুনে পথচলতি মানুষদের থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন ক্ষণিকের জন্য। গান শুনে খুশি মত ভিক্ষাও দিয়েছেন অনেকে। এই ভাবে যে গৌরব এই প্রতিযোগিতায় কিছুটা এগিয়ে গেলেন তা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে গৌরবের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে যে অসামান্য অভিজ্ঞতা হয়ে গেল, সেটাও সারা জীবনের জন্য তাঁর কাছে একটি অসামান্য প্রাপ্তি।