বাপ বাপ হয়, বলিউডকে অযোগ্য বলায় এবার মহেশ বাবুকে ধুয়ে দিলেন বলি অভিনেতা সুনীল শেট্টি

দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সিনেমাগুলো এমন ভাবে হিট হতে শুরু করে দিল, যে অচিরেই সে বিতর্কে পরিণত হয়ে গেল তা সত্যিই ভাবা যায় না। একদিকে বলিউড অভিনেতা অভিনেত্রী অন্যদিকে দক্ষিণ ফিল্ম অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে তর্ক বিতর্ক যেন শেষ হবার নাম নেই। যেন অলিখিত একটি ঠান্ডা লড়াই চলে যাচ্ছে দুই ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে। বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগন এবং দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার কিচ্ছা সুদীপের মধ্যে হিন্দি ভাষা নিয়ে যে বিতর্ক সূত্রপাত হয়েছিল তা আজও বর্তমান।

চলতি বছরের গোড়ার দিক থেকেই পুষ্পার হাত ধরে বিশেষত একের পর এক সাফল্য অর্জন করে চলেছে দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এর আগেও হয়ত দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সিনেমাগুলি কোটি কোটি টাকা আয় করে ফেলত কিন্তু এই বছর যেন সব কিছুর বাড়বাড়ন্ত অপরিসীম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। কেজিএফ হোক অথবা আর আর আর, দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সাফল্যের তালিকা যে বেশ লম্বা তা বলাই বাহুল্য।

তবে ঠান্ডা লড়াইকে কিছুটা উস্কে দিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন সাউথের সুপারস্টার মহেশ বাবু। মহেশ বাবু যে চিরকাল বলিউডের প্রতি উদাসীন সেকথা সকলে জানে। সম্প্রতি এই উদাসীনতাকে আরো একবার সকলের সামনে অন্যভাবে প্রদর্শন করেন তিনি। অভিনেতা বলেন, “বলিউডের আমাকে নিয়ে কাজ করার ক্ষমতা নেই। এই কারণে আমি সময় নষ্ট করতে চাই না বলিউডকে নিয়ে”।

মহেশ বাবুর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর হইচই পড়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। সম্প্রতি এই নিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউডের অন্যতম সুপারস্টার সুনীল শেঠি। সুনীল মনে করেন বলিউড ইন্ডাস্ট্রি এবং সাউথ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। সুনীল শেট্টি বলেন, “আমরা সকলেই ভারতীয়। আমাদের কাছে মনোরঞ্জনটাই শেষ কথা।সেটা যে কোনো ভাষাতেই হোক না কেন। ভাল কনটেন্ট এবং ভালো অভিনয় প্রত্যেক মানুষকে আকর্ষণ করবে”।

এই প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, “তিনি নিজেও সাউথ থেকে এসেছেন। কিন্তু কর্মসূত্রে তিনি মুম্বাইয়ের মানুষ বলে এখন পুরোপুরি তিনি একজন মুম্বাইকার হয়ে গেছেন। এখন মানুষ শুধুমাত্র ভালো গল্প খোঁজেন। প্রতিভা শেষ কথা বলে মানুষের কাছে।কোন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কোন অভিনেতা কাজ করছেন তারা মানুষের কাছে বড় কথা নয়”।

শেষমেষ বলিউডের পক্ষ নিয়ে মহেশ বাবুকে নাম না করেই তিনি পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, “বড় পর্দা হোক অথবা ওটিটি, বাপ বাপ হতা হে। পরিবারের বাকি সদস্যরা পরিবারের সদস্য থাকবেন কখনো মাথা হয়ে দাঁড়াতে পারবেন না”।