হঠাৎই টাকা দরকার, চিন্তা নেই! এখন মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যেই পেয়ে যাবেন ১ লাখ টাকা, কিভাবে পাবেন? এখুনি জানতে

সরকারি কিংবা বেসরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে সঞ্চয়ের এর বড় একটা জায়গা প্রভিডেন্ট ফান্ড। সুদ নিয়ে প্রত্যেক মাসে ভালো অংকের একটা টাকা জমে এই ফান্ড-এ। প্রত্যেক মাসে বেসিক বেতনের ১০ শতাংশ দেয় কর্মচারী আর বাকি ১০ শতাংশ দেয় সংস্থা। আপনার যদি এখন হঠাৎ করে টাকার দরকার পড়ে তবে হাত পাততে হবে না কারোর কাছে। কেন্দ্রীয় সরকার এনেছে পিএফ এর এক নতুন নিয়ম যার ফলে আপনাকে আর কারোর থেকে টাকা পয়সা নিতে হবে না। অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমেই পেয়ে যাবেন এই টাকা ঘরে বসে।

করোনা পরিস্থিতিতে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন বেকার হয়েছেন। শুধু তাই নয় চিকিৎসার ক্ষেত্রে ও প্রয়োজন পড়েছে টাকার। তাই মোদি সরকার লোকেদের হঠাৎ টাকা লাগার পরিস্থিতিতে একটা নতুন নিয়ম করেছেন। এক বড়োসড়ো বদল এনেছেন প্রভিডেন্ট ফান্ডের নিয়মে।

নতুন নিয়মে পিএফ অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের টাকা তোলার ক্ষেত্রে ৩ থেকে ৭ দিন অপেক্ষা করতে হতো। এখন আর সেটা করতে হবে না। এক ঘণ্টার মধ্যেই টাকা তুলে নিতে পারবেন, পেয়ে যাবেন পিএফ থেকে সমস্ত পয়সা। এমার্জেন্সি সময়ে এই টাকা আপনার কাজে আসবে।

নিজের এমপ্লয়ি প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ইপিএফ থেকে এক লক্ষ টাকা এডভান্স পিএফ ব্যালেন্স বার করে নিতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে খালি আপনার খরচের কারনটা দেখাতে হবে। অর্থাৎ দেখাতে হবে কোন এমার্জেন্সি র জন্য আপনি টাকাটা খরচ করতে চাইছেন। এর আগে নিজের মেডিকেল বিল জমা করার পর তবে পাওয়া যেত টাকা। কিন্তু এখন এই টাকা অ্যাডভান্স পাওয়া যাবে। এতে কোন বিল জমা করতে হবে না। আপনাকে শুধু অ্যাপ্লাই করতে হবে আর অতি সহজেই আপনি পেয়ে যাবেন টাকা।

চলুন দেখে নেওয়া যাক এক নজরে আপনি কীভাবে টাকা তুলতে পারবেন :-

১) প্রথমে আপনাকে www.epfindia.gov.in এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে হোমপেজে কোভিড ১৯ ট্যাবের অন্তর্গত ডান দিকের কোণে অনলাইন অ্যাডভান্স কলমে যেতে হবে।

২) সেখানে https://unifiedportalmem.epfindia.gov.in/memberinterface পাওয়া যাবে। এর থেকে অনলাইন সেবা তে যেতে হবে। ক্লেম ফর্ম ৩১,১৯,১০সি এবং ডি দেখতে হবে।

৩) এরপর নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের শেষ ৪টি সংখ্যা দিতে হবে। ‘প্রসিড ফর অনলাইন ক্লেম’ এ ক্লিক করতে হবে।

৪) এরপর ড্রপডাউন থেকে পিএফ অ্যাডভান্স ( ফর্ম ৩১) বেছে আপনার কারণ বেছে নিন । এরপর নিজের রাশি বেছে নিন।

৫) এরপর চেকের স্ক্যান কপি আপলোড করে নিজের ঠিকানা লিখে দিন। গেট আধার ও টি পি তে। তারপর আধারের সঙ্গে লিংক হওয়া মোবাইলে প্রাপ্ত ওটিপি টি লিখুন। তাহলেই দেখবেন আপনার ক্লেইম ফাইল হয়ে গেল।