কড়া নির্দেশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, লকডাউন ভাঙলে আর ফেক নিউজ ছড়ালে দু বছরের জেল…

ভারতে করোনা ভাইরাস ঠেকানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত রকম প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। এছাড়া দেশের প্রত্যেকটি রাজ্যের রাজ্য সরকারও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোখা যায়। কেন্দ্র সরকারের সাথে রাজ্য সরকারও একাধিকবার দেশের জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন এই লকডাউন এ গুরুত্বপূর্ণ তবে কিছু মানুষ এই দেশজুড়ে লকডাউন কে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে দেখছে না তাই এবার কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এক কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হল যেখানে জানানো হয়েছে এই লকডাউন ভাঙলে অথবা এই লকডাউন নিয়ে যাবতীয় ফেক নিউজ ছড়ালে করা হতে পারে দুই বছরের জেল হতে পারে জরিমানাও।

আর এই বিষয়টিকে যাতে গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা হয় এবং রাজ্য প্রশাসন গুলি যাতে এ বিষয় নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে তার জন্য এক নির্দেশিকা পাঠানো হলো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে।গত বৃহস্পতিবার দিন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিকে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে এই লকডাউন এর সময় আইন ভঙ্গ অথবা ভুল তথ্য প্রকাশ করার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিপর্যয় মোকাবেলায় আইন 2005 এর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এমনটাই জানানো হয়েছে।

এই চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সচিব অজয় ভাল্লা লিখেছেন যেমনটা আমরা জানি চব্বিশে মার্চ থেকে আগামী 14 ই এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে পালন করা হবে লকডাউন, আর সেই লকডাউন কী? আর যারা এই লকডাউন অগ্রাহ্য করে বিরোধিতা করবেন তাদের বিরুদ্ধে কিভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে সরকারের তরফ থেকে তাও জানানো হয়েছে এই চিঠিতে।এই চিঠিতে জানানো হয়েছে কোনো ব্যক্তি যদি লকডাউন ভাঙ্গে অথবা ফেক নিউজ ছড়ায় তাহলে তার হতে পারে দু বছরের জেল সঙ্গে করা হবে তার বিরুদ্ধে জরিমানা।

আর এক্ষেত্রে যাতে ওই ব্যক্তি সঠিক শাস্তি পায় সে বিষয়ে যাতে সমস্ত রাজ্য প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেন এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাদের বিরুদ্ধে 2005 বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে 51 এবং 60 নম্বর ধারায় ভারতীয় দণ্ডবিধির 188 ধারায় এই আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে যেকোনো প্রশাসন। এই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে যথেষ্ট সচেতন করতে ব্যাপকভাবে প্রচার চালানো হবে। এর পাশাপাশি পুলিশের কাছেও এই বিষয় নিয়ে যথেষ্ট তথ্য পৌঁছে দিতে হবে।

তাই এই সময় যদি কোন ব্যক্তি এই সুশাসন বজায় রাখার পথে পুলিশ বা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করে তাহলে তার দু বছরের জন্য কারাদণ্ড হবে এবং যারা এই সময় ফেক নিউজ ছড়ানোর চেষ্টা করবে তাদের দু বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।অন্যদিকে আরও একটি তথ্য প্রকাশিত করা হয়েছে যেখানে জানানো হয়েছে এই সময় ত্রাণ ও সাহায্যের জন্য যে অর্থ আসছে তা নিয়ে যদি কেউ নয় ছয় করার চেষ্টা করে তার উপরও দু বছরের জেল ও বেশকিছু আর্থিক জরিমানা করা হবে।

Related Articles

Back to top button