চীনের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কড়া অ্যাকশন! চীনকে শিক্ষা দিতে আমেরিকা সহ 8 টি শক্তিশালী দেশ বাঁধলো জোট..

আমেরিকা সহ বিশ্বের তাবড় তোবড় দেশগুলি চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে চীনই ইচ্ছাকৃতভাবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে। সারা বিশ্বের এই রকম অবস্থার জন্য চীনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বাকী দেশগুলো। তাই সমস্ত দেশ গুলো মিলে চীনকে শায়েস্তা করার জন্য কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে। বিশ্বের নকশা থেকে চীনকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলার জন্য সম্প্রতি একজোট হচ্ছে কতগুলি দেশ। আর এখন যে খবর বেরিয়ে আসছে সেখানে জানা যাচ্ছে যে গোটা বিশ্বের আটটি আলাদ আলাদা সাংসদ মিলে একজোট হয়ে 5 ই জুন চীনের বিরুদ্ধে বড়োসড়ো প্ল্যান করেছে।

আমেরিকা সহ আরও আটটি দেশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, চীন মানবাধিকার এবং গ্লোবাল ট্রেডাস সুরক্ষার জন্য এক বড় বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমানে। তাই খুব তাড়াতাড়ির মধ্যে চীনকে শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। ইতিমধ্যেই আমেরিকা লেজিসলেটর মোরকো রুবিয়ো একটি ভিডিও মেসেজের মাধ্যমে সমস্ত দেশগুলিকে একজোট হয়ে চীনের বিরুদ্ধে লড়ার করার ঘোষণা করেছেন।এছাড়া ও এই জোটের কী মূল উদ্দেশ্য সেই সম্পর্ক জানানো হয়েছে।


জানানো হয়েছে যে, আমাদের একজোট হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো চীনের সাথে জড়িত সমস্ত ইস্যু গুলোতে একত্রিত হয়ে সক্রিয় অংশীদারিত্ব তৈরি করা। বলে রাখি এই সংগঠনে বিশ্বের 8 টি বড় দেশ রয়েছে। জার্মানি, ক্যানাডা, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, জাপান, নরওয়ে এবং ইউরোপিয়ান এই 8 টি দেশের সংগঠন রয়েছে এতে। আর এই জোটে নেতৃত্ব দিতে চলেছেন জাপানের প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী যেন নাকাতানি, ইউরোপীয় সংসদে বিদেশি ইস্যুতে কমিটি মেম্বার মিরয়ম এবং আমেরিকার রিপাবলিকান সেনিটর মার্কো রুবিও সহ অস্ট্রেলিয়া, সুইডেন, ক্যানাডা আর নরওয়ের নেতারাও রয়েছেন।

এই দেশগুলি যারা চীনকে শাস্তি দেওয়ার জন্য একজোট হচ্ছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ দেশেই চীনের জন্য রাজনৈতিক এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কিছুদিন আগে কানাডা তে চীনে হূবেই টেকনোলজির এক্সিকিউটিভকে গ্রেফতার করা হয়। আর তারপরেই চীন ক্যানাডার দুই নাগরিককে গ্রেপ্তার করে নেয়।

Related Articles

Close