রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ!আগামী 7 ই নভেম্বর থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে বন্ধ হতে চলেছে গুটকা- পানমশলা- তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রি

অনেকেই হয়তো এই কথা জানেন না যে আগামী 7 ই নভেম্বর জাতীয় ক্যান্সার সচেতনতা দিবস তাই এবার রাজ্য সরকার এই দিন থেকে গোটা রাজ্য জুড়ে গুটকা এবং তামাকজাত দ্রব্যের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে। আর এই বিষয় নিয়ে গত 25 অক্টোবর রাজ্যের ফুড সেফটি কমিশনার অফিসার তপন রুদ্র একটি নির্দেশিকা জারি করেন যেখানে তিনি বলেন আগামী 7 নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে যেকোনো জেলায় গুটকা পান মশলা এবং তামাকজাত দ্রব্য প্রকাশ্যে উৎপাদন ও বিক্রি করা কিংবা মজুদ করে রাখা যাবে না।

আর যদি তা কেউ তা করে থাকে তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে। সাথে সাথে তিনি এও জানান এক্ষেত্রে যারা এ কাজটি করে থাকবেন সেই অভিযুক্তকে কড়া শাস্তির সম্মুখীন ও হতে হবে।তবে বলে রাখি খাদ্যপণ্যের তালিকার মধ্যে রয়েছে এই গুটখা এবং তামাকজাত দ্রব্য যার দরুন এই নিয়ম অনুযায়ী এগুলোকে এক বছরের বেশি নিষিদ্ধ করা যায় না তাই প্রতিবছরই এরকম এক বিজ্ঞপ্তি বার করা হয়।

শুধু তাই নয় এই বিষয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর গত 3-4 বছর ধরে রাজ্যে তরফ থেকে এই বিজ্ঞপ্তি কে জারি করা হচ্ছে কারণ “চিউয়িং টোব্যাকো”খাদ্য সামগ্রী তালিকাভুক্ত।আর যার দরুনই এটিকে এক বছরের বেশি নিষিদ্ধ করে রাখা সম্ভব নয় তাই প্রতিবছরের ন্যায় নতুন করে নির্দেশিকা জারি করতে হয় এর জন্য। আরো বলে রাখি এর আগেও 2011 সালে তামাক যুক্ত পান মশলা ও গুটখা নিষিদ্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে। আর তারপরই আইন বাঁচিয়ে মসলা ও জর্দাকে আলাদাভাবে উৎপাদন ও বিক্রি করা হচ্ছিল জেলায় জেলায়। যার ফলে যেসব ব্যক্তিরা এই পান মশলা বা গুটকা নেশাগ্রস্ত তারা আলাদাভাবে কিনে মিশিয়ে খাচ্ছিলো এটিকে। ফলে সরকার যে পদক্ষেপটি নিয়েছিল যেখানে মুখের ক্যান্সারের আক্রান্ত হবার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য সেটি কমার বদলে বেড়ে চলছিল।