সোমবার থেকে গ্ৰীন জোন গুলিতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিল রাজ্য সরকার..

আগামী মে মাসের 3 তারিখে শেষ হবে দ্বিতীয় দফার লকডাউন আর এই দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ হওয়ার পর আগামী 4 তারিখ থেকে গ্ৰীন জোন গুলিতে ছোট দোকানকে ব্যবসায় ছাড় দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। অর্থাৎ আগামী সোমবার থেকে চালু করা হবে এর নতুন নিয়ম। তবে এক্ষেত্রে যে রেড জোন গুলি রয়েছে সেগুলিতে সেই একই নিয়ম লাগু থাকবে অর্থাৎ চলবে লকডাউন। “কনটেন্টমেন জোন”- ও এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ লকডাউন থাকবে।

গতকাল বুধবার দিন নবান্নে একথা জানিয়ে দিয়েছেন স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে যেমনটা আমরা জানি কলকাতা, হাওড়া, উত্তর 24 পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর এই মুহুর্তে রয়েছে রেড জোন। আর রাজ্যের তরফ থেকে এই জেলাগুলির কিছু জায়গাকে “কনটেইনমেন্ট জোন” হিসাবে বিবেচিত করা হয়েছে। তবে এই জোন গুলিতেও কী রকম নিয়ম কার্যকর করা হবে ভবিষ্যতে তা কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর এই সেই বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে নবান্ন সূত্রে খবর। তবে এক্ষেত্রে গ্রীন জোন গুলিতে চলবে পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে চালানো হবে বাস এ কথা জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তবে এ ক্ষেত্রে বাস গুলি জেলার বাইরে যেতে পারবে না। আর পরিবহন দপ্তরের অনুমোদন আছে সেসব বাস মালিকেরাই কিন্তু ওইসব জেলায় বাস চালাতে পারবেন।তবে এক্ষেত্রে এই বাসের মধ্যে একসাথে 20 জনের বেশি উঠতে পারবেন না, আর সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি বাসে ব্যবহার করা হবে মাস্ক একথা নির্দেশ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত গ্ৰীন জোনগুলিতে নাপিত, সেলুন, স্পা, পার্লার, মদের দোকান, চায়ের দোকান, শপিং মল, মার্কেট কমপ্লেক্স, ট্রেইলরের দোকান একদম খুলছে না একথা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে এই দিন যে ঘোষণা করা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হচ্ছে গ্রীন জোনের জেলাগুলিতে তবে এক্ষেত্রে পাড়ার ছোট দোকান দানি খোলা যাবে, তবে মার্কেট কমপ্লেক্স ফুটপাতের দোকান খোলা যাবে না। আর যদি গ্ৰীন জোনগুলিতে পরিস্থিতি খারাপ হয় তাহলে পরবর্তীকালে সেই সিদ্ধান্তে আবারো বদল হতে পারে সে কথাও জানিয়েছে তিনি। তবে এখনো পর্যন্ত রেড এবং অরেঞ্জ জোন গুলিতে কীরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে তার কোনো নির্দেশিকা দেয়া হয়নি জানানো হয়েছে পরবর্তীকালে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হবে নবান্নের তরফ থেকে। তিনি বলেন কলকাতার ক্ষেত্রে শুরু করা হবে হোম ট্যাক্সি তবে পুলিশ সেটা বুঝে শুনে ব্যবস্থা নেবে। তাছাড়া কনটেইনমেন্ট জোন গুলি পুরোপুরি লকডাউন থাকবে সেখানে যেভাবে এখন কাজ হচ্ছে সেভাবেই চলবে।