শুভেন্দু নিয়ম মেনে ইস্তফা দেননি, আপাতত গ্রহণ করা হচ্ছে না তার ইস্তফাপত্র জানালেনঃ স্পিকার

গত 16 ই ডিসেম্বর অর্থাৎ বুধবার দিন বিধানসভায় গিয়ে রিসিপশনে নিজের ইস্তফা পেশ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।তবে আজ শুক্রবার বিকেলে এক সাংবাদিক বৈঠকে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফা গ্রহণ করা হবে না। এর কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি জানান এক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারীর নিয়ম মেনে সভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে ইস্তফা দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু তিনি তা করেননি তিনি সরাসরি রিসিভ সেকশনে গিয়ে চিঠি জমা দিয়েছেন আর যে চিঠির মধ্যে কোন তারিখের উল্লেখ করা নেই।

 

যদিও এক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারী তরফ থেকে যে ইমেইল পাঠানো হয়েছিল সেখানে তারিখের উল্লেখ করা ছিল অর্থাৎ ধারাবাহিকতা নেই সুতরাং স্পিকারে তরফ থেকে তার ইস্তফা গ্রহণযোগ্য করা হবে না। এইদিন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান আমি শুভেন্দুর ইস্তফাতে সন্তুষ্ট নয় তিনি স্বেচ্ছায় এক্ষেত্রে পদত্যাগ করেছেন কিনা আর তার পদত্যাগপত্র আসল কিনা তাও পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


শুধু এখানেই শেষ নয় এই দিন তিনি আরো জানান যে আগামী 21 শে ডিসেম্বর সোমবার দিন দু’টোর সময় শুভেন্দুকে তিনি স্পিকারের চেম্বারে আসতে বলেছেন এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন। এই দিন তিনি শুভেন্দুর সাথে কথা বলবেন এবং তার ইস্তফাই সন্তুষ্ট হলে তবেই তিনি তার ইস্তফা গ্রহণ করবেন। এরপর বিমানবাবু বারবার বলেন এর অর্থ এখনো পর্যন্ত শুভেন্দু রাজ্য বিধানসভার সদস্য এবং তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত সদস্য।

অন্যদিকে এ বিষয়ে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠদের দাবি অতীতে যে ভাবে কংগ্রেস ও সিপিএম বিধায়করা বিধানসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূলের মঞ্চে উঠে শাসক দলে যোগদান দিয়েছিলেন তার থেকে ব্যতিক্রম থাকতে চেয়েছিলেন এক্ষেত্রে দাদা যে কারণে তিনি প্রথমে মন্ত্রিসভা পদ থেকে ইস্তফা দেন তারপর বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফাপত্র পেশ করেছিলেন। যার পর দলের প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি ইস্তফা দিয়েছিলেন, অর্থাৎ বলা যেতে পারে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর তিনি তার নিজের লক্ষ্য এবং দিশা স্থির করে নিয়েছেন।অর্থাৎ কিছুদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারী কে নিয়ে যেসব কথাবার্তা বলা হচ্ছে প্রক্রিয়াগত সেই প্রক্রিয়া তিনি নিশ্চয়ই সম্পূর্ণ করবেন।