বন্যায় অসহায় ঘাটালের মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে এবার কেন্দ্রকে তোপ সাংসদ অভিনেতা দেব-এর

রাজ্যে কয়েকদিনের বৃষ্টির জেরে বন্যাকবলিত একাধিক এলাকা। কার্যত জলের তলায় ভাসছে গ্রামের পর গ্রাম। ভেঙে গেছে অসংখ্য বাড়ি, আশ্রয়হীন লক্ষ লক্ষ মানুষ। একি রকম দৃশ্য মেদিনীপুরের ঘাটালেও। তবে বরাবরই সাংসদ হবার পর ঘাটাল বাসী দুর্দিনে পাশে পেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিনেতা দেবকে। বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতি তার অন্যথা হয়নি। গত বুধবার ঘাটালের একাধিক এলাকায় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে একটানা জলমগ্ন এলাকার অসহায় মানুষদের সাথে কথা বলে সকলকে সাহায্যের আশ্বাস দেন অভিনেতা সাংসদ।

ক্যামেরায় ধরা পড়েছে যে খালি পায়ে কাদায় দাঁড়িয়ে সাধারণের ভিড়ে মিশে গিয়ে প্রত্যেকের সমস্যার কথা মন দিয়ে শুনছেন দেব। এমন এই দুর্দিনে সাংসদ কে পাশে পেয়ে কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হতে পেরেছেন ঘাটাল বাসী।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়েছে ঘাটাল। ঘাটাল ব্লকের ১২টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ১৭ টি পুরসভায় জল জমেছে। গত দু’দিন ধরে জলের তলায় ঘাটাল চন্দ্রকোনা রাজ্য সড়ক। বৃষ্টি বন্ধ হলেও জল না সরায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বন্যা হওয়ায় জলের তলায় চলে গিয়েছে একাধিক টেপা কল। এর ফলে ব্যাপকভাবে পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জলের পাউচ দেওয়া হলেও সমস্যা মিট চেনা বলে জানা যাচ্ছে। এদিন ঘাটালে এসে ফের একবার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান(Ghatal Master plan) নিয়ে সরব হয়েছেন দেব। তিনি বলেন বাধ্য হচ্ছি বলতে যতক্ষণ না দিদি অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, ততদিন পর্যন্ত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শেষ হবে না।

যতই বিরোধী দলের লোকজন বলুক না কেন সোনারবাংলা বানাবো, কিন্তু ভোটের পর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। ভোটের সময় এসে বড় বড় কথা বলে চলে যায় এটাই দুঃখজনক। ঘাটালে বন্যা পরিদর্শনে এসে অভিনেতা সাংসদ দেব আরো জানান ‘আমি দিল্লিতে ছিলাম। সংসদে কিছু বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখবো বলে ঠিক করেছিলাম। কিন্তু ঘাটালের যা পরিস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে, গ্রামের পর গ্রাম জলের তলায় ডুবে গিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে যারা আমাকে দেব বানিয়েছেন, আমাকে সাংসদ বানিয়েছেন তাদের কাছে থাকাটা বেশি প্রয়োজন বলে মনে করেছি’। সেই সঙ্গে তিনি সংযোজন করে বলেন ‘আমি রাজনীতি অতটা বুঝি না। এখন মানুষকে উদ্ধার করাটা বেশি প্রয়োজন বলে মনে করছি। আমরা হয়তো এখনো সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ করে উঠতে পারিনি, কিন্তু চেষ্টা করে যাবো যাতে মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় ওষুধ, ত্রাণ, জল পৌঁছে যায়।