অনশনে কেটে গেলো কুড়িটা দিন, তবু চাকরির দাবিতে অনড় এসএসসি প্রার্থীরা…

এবার এসএসসি কে ঘিরে উঠে আসছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইতিমধ্যে পাওয়া খবর অনুযায়ী গত ২৮ শে ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় সাড়ে তিনশ এসএসসি প্রার্থী শূন্য পদে নিয়োগের দাবিতে মেয়ো রোডের সামনে অনশনে বসেছেন । আজ কুড়ি দিন পেরিয়ে গেল তেমন কোন সরকার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সাড়া পাওয়া যায়নি । আন্দোলনকারীদের হাতের পোস্টার ব্যানার থেকে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে তারা এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ চান । এছাড়াও আন্দোলন কারীদের দাবি , এ আন্দোলনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপ গুলিতে আন্দোলনকারীরা সন্তুষ্ট নন।

শুধু তাই নয়, আন্দোলন কারীরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর সাথে দেখা করলেও তেমন ভাবে কোনো এই ব্যাপারে সুরানি পাইনি । এছাড়াও আন্দোলনকারী দের গতকাল রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল, ইতিমধ্যে বীরভূমের রুমকি পরামানিক নামক এক মহিলা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন, এছাড়াও এক মহিলা তার গর্ভের সন্তান হারিয়েছেন । আন্দোলনকারীদের মধ্যে অসুস্থ ১০০ জনকে আন্দোলনকারীরা জোর করে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন তার মধ্যে অনেকে গর্ভবতী মহিলা ছিলেন । আজ ২০ দিনের মধ্যে প্রায় ৫৫ জন হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন অবস্থার আরো অবনতি দেখেও কোন রকম হস্তক্ষেপ করছে না সরকার। আর এভাবেই চলতে থাকলে অবস্থার আরো অবনতি দেখা যাবে এমনটাই সূত্রের খবর। কিছুদিন আগে ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপের হাত ধরেই প্রার্থীরা এই আন্দোলনের জন্য একত্রিত হয়েছিলেন এবং এসএসসি যুবক ছাত্ররা মঞ্চ তৈরি করে একসাথে আন্দোলন শুরু করেছিলেন। যদিও তারা অনেক কঠিন পথ অতিক্রম করে এলোও এখনো তারা বিচার পাইনি ।

সূত্র অনুযায়ী আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, প্রচুর জেলায় হাজার হাজার শিক্ষক পদ ফাঁকা থাকলেও নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বহু শিক্ষকের নাম তালিকায় তুলে রাখা হয়েছে। এসএসসির কোনো কার্যকলাপ হচ্ছে না বললেই চলে । শুধু তাই নয়, শূন্য পদ গুলি আপডেট করা হচ্ছে না, আর এই ঘটনাকে ঘিরে শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে গোটা ৩০০ জনের অধিক যুবক-যুবতী অনশনে বসেছেন । এছাড়াও তাদের দাবি, নবম দশম একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদ ঠিকমতো নিয়োগ করা হয়নি। এবং যারা ওই আন্দোলনে বসে আছেন তাদের মধ্যে কেউ অকৃতকার্য নন । তবুও অন্যায় ভাবে জেনে শুনে তাদেরকে ওয়েটিং লিস্টে রেখে দেওয়া হয়েছে। কখন আপা রোদের তাপ কখনো বা মেঘের বৃষ্টি প্রকৃতির ঝঞ্জা কে কাটিয়ে এই যুবক যুবতীদের রাস্তার মধ্যে একের পর এক দিন কেটে যাচ্ছে ।

বিচার মিলছে না। তাদের মুখের এখন স্লোগান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের এখন একটাই স্লোগান , “হয় চাকরি , না হয় মৃত্যু” । আরে শ্লোগানেই দিন কাটছে তাদের।

Krishna Chandra

Krishna Chandra, a political writer, likes to write on Recent activitis of India as well as Bengal. B.tech in Mechanical Engineering .Email: krishnagarain.smart@gmail.com

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close