বায়ুসেনা অফিসারের পোশাক পরেই শহিদ স্বামীকে বিদায় স্ত্রী স্কোয়াড্রন লিডার আরতির।

গত 26 শে ফেব্রুয়ারি ভারত-পাক আকাশ যুদ্ধের পর থেকে নিখোঁজ হয়েছিল উইং কামান্ডার অভিনন্দন। আর এই নিখোঁজ উইং কমান্ডার কে নিয়ে চিন্তায় ছিল গোটা ভারত। তবে দীর্ঘ 58 ঘণ্টার অপেক্ষার পর শুক্রবার রাতে দেশের মাটিতে পা রেখেছেন এই মিগ বিমানের পাইলট অভিনন্দন।তবে অন্যদিকে আর এক বায়ু সেনা অফিসারের পরিবারে নেমে এলো শোকের ছায়া। ফেরত এলেন না তিনি আর। শহীদ হলেন দেশের জন্য তিনি। ওই দিন সীমান্তের কাছে ভেঙে পড়া মিগ বিমানে শহীদ হন স্কোয়াড্রন লিডার সিদ্ধার্থ বরিষ্ঠ।গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এই দিনটা শেষকৃত্য কাজে উপস্থিত ছিলেন বায়ু সেনা অফিসারের পরিবার, আত্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে চণ্ডীগড়ের সমস্ত সাধারণ মানুষও।

 

এদিন তার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী আরতি সিংহ আপনাদের বলে রাখি তিনি নিজেও একজন স্কোয়াড্রন লিডার।এই দিনটি তিনি বায়ু সেনা অফিসারের পোশাক পড়েই স্বামীকে শেষ সম্মান জানালেন সেই সময় তার হাতে ছিল দেশের পতাকা।শুকনো চোখে আবেগ ধরে রেখেছিলেন কী কঠোরভাবে। বায়ুসেনার পক্ষ থেকে তাকে গান স্যালুট দেওয়া হয় এরপর সিদ্ধার্থের মুখাগ্নি করেন তার বাবা।সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ওই অফিসারের মৃতদেহ চণ্ডীগড়ের বায়ুসেনার স্টেশনে আনা হয় বায়ুসেনার একটি বিমানেই। তারপর ভারতীয় বায়ুসেনার গাড়িতে করে দেহটি নিয়ে যাওয়া হয় সেক্টর 44-এর শ্মশানে। এই 31 বছর বয়সী স্কোয়াড্রন লিডার সিদ্ধার্থ বশিষ্ঠ তাঁর পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম, যিনি ভারতীয় সেনার অংশ ছিলেন। 2010 সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন তিনি। গত বছর কেরলের বন্যার সময় তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করে তাঁকে ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে সম্মান জানানো হয় গত মাসেই।

Related Articles

Back to top button